তাইজুলের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, ১৭৮ রানে থামল উইন্ডিজ

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে সব উইকেট উইকেট হারিয়ে ১৭৮ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবীয়দের হোয়াইট ওয়াশ করতে হলে টাইগারদের করতে হবে ১৭৯ রান।

ম্যাচটিতে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা উইন্ডিজ মাত্র ১৬ রান তুলতেই তাদের প্রথম তিনটি উইকেট হারায়। কিন্তু পরবর্তীতে নিকোলাস পুরানের অধিনায়কত্ব ইনিংসের সুবাদে মোটামুটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করাতে সমর্থ হন ক্যারিবীয়রা।

অধিনায়ক নিকোলাস পুরান ৭৩ রান করে আউট হন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এমন অল্পতে বেঁধে ফেলতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ২৮ মাস পর ওয়ানডেতে প্রত্যাবর্তন করা তাইজুল। তিনি মাত্র ২৮ রান দিয়ে ৫টি উইকেট তুলে নেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার শাই হোপ এবং ব্র্যান্ডন কিং যথাক্রমে ২ ও ৮ রানে আউট হন। তাদের দুইজনকেই সাজঘরে ফেরান তাইজুল। দুই ওপেনার যখন আউট হন তখন দলীয় রান ছিল ১৫।

এরপর ১৬ রানের মাথায় শামরাহ ব্রুকসকে ৪ রানে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান।

এরপরই হাল ধরেন কেসি কার্টি এবং নিকোলাস পুরান। তারা দুইজন মিলে ৬৭ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। দলীয় ৮৩ রানের সময় কেসি কার্টি ৩৩ রান করে নাসুমের বলে আউট হন। দলীয় ১১৭ রানের সময় রোভম্যান পাওয়েলকে ১৮ রানে ফেরান তাইজুল। ১২৫ রানের সময় তাইজুলের বলেই ৬ রান করে আউট হন কিমো পল।

অন্যরা যাওয়া-আসার মধ্যে থাকলেও পুরান ক্রিজে থাকার চেষ্টা করেন। তিনি অবশ্য সফলতাও পান।

শেষের দিকে আকিল হোসেন সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে মাত্র ১ রান করে মোসাদ্দেকের বলে আউট হন। তখন দলের রান ১৪৬। এর ঠিক পরেই আসে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য। দলীয় ১৫০ রানের মাথায় ডেঞ্জারাস পুরানকে বোল্ড করে দেন তাইজুল।

দলীয় ১৫৩ রানের সময় নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে গুদাকেস মোতি আউট হন। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে রোমারিও নাসুমের বলে ১৯ রানে আউট হন।

শেষ উইকেটে ২৫ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।