১৭ বছরের কিশোরীর সাথে ৬৩ বছরের বৃ’দ্ধের বিয়ে; অতঃপর …….

১৭ বছরের কিশোরীর সাথে ৬৩ বছরের বৃ’দ্ধের বিয়ে; অতঃপর …….

এ যেন দাদা-নাতনির বিয়ে। ১৭ বছরের কিশোরীর সাথে ৬৩ বছরের বৃ’দ্ধের বিয়ে নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃ’ষ্টি হয়েছে নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজে’লার নিতাই ইউনিয়নে। জানা গেছে, ঢাকা মিরপুর এলাকার উত্তর পাইকপাড়ার মৃ’ত-সামসুল হকের পুত্র আল নাসের এভিয়েশন সার্ভিসের মালিক আবদুল্লাহ আল নাসের।

তার সঙ্গে হজ্বে লোক পাঠানোর সুবাধে পরিচয় হয় কিশোরীগঞ্জ উপজে’লার বড়ভিটা ইউনিয়নের আতিকুল ই’সলামের। ৬৩ বছর বয়সী আল নাসের তার বিয়ের জন্য আতিকুল ই’সলামকে পাত্রী খুঁজতে বলেন।

আতিকুল ই’সলাম নাসেরের মন জোগাতে ঘ’টকের মাধ্যমে নিতাই ইউনিয়নের খোলাহাটি গ্রামের আব্দুল মতিনের নাতনি ১৭ বছরের মিম আক্তারকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মেয়েটির নানা গরিব হওয়ার কারণে গত ২৭ অক্টোবর নগদ এক লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে ওই বৃদ্ধের সাথে মেয়েটির বিয়ে দেয়া হয়।

২৮ অক্টোবর ওই বৃদ্ধ প্রাইভেট কারে মেয়েটিকে নিয়ে নানা শ্বশুর আব্দুল মতিনের বাড়ি খোলাহাটি গ্রামে আসলে কৌতূহলী গ্রামবাসী বৃদ্ধকে প্রাইভেট কারসহ আ’টকে রাখে। পরে নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুকসহ এলাকার আরো কয়েকজন বৃদ্ধ আবু নাসেরকে আ’টকে রেখে রাতভর শা’লিস বৈঠকের মাধ্যমে বাল্য বিবাহ করার অ’পরাধে স্টান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড নীলফামারী শাখার অনুকূলে ৬ লাখ টাকার চেক গ্রহণ করে বৃদ্ধকে ছেড়ে দেয়া হয়।

জানা গেছে, মিম আক্তার নিতাই ইউনিয়নের পাগলাটারী ফুলবাড়ি গ্রামের মহুবার মিয়া এবং লুনা বেগমর কন্যা। মেয়েটির বাবা-মা ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করায় খোলাহাটি গ্রামে নানা আব্দুল মতিনের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করত।

মেয়েটি কিশোরীগঞ্জ বিজনেস মেনেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। এ বিষয়ে আল নাসের এভিয়েশন সার্ভিসের মালিক আবদু’ল্লাহ আল নাসের বলেন, আমি ই’সলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে করেছি।

নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুক জানান, আবদু’ল্লাহ আল নাসের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তিনি মাত্র ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন। দেনমোহর কম হওয়ার কারণে তাঁর কাছ থেকে দেনমোহর বাবদ ৬ লাখ টাকার চেক গ্রহণ করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থা’নার ওসি আব্দুল আউয়াল সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে ঘ’টনাস্থলে পু’লিশ পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফারুক বিষয়টি স’মাধান করে দিতে চাওয়ায় সেখান থেকে পু’লিশ চলে আসে।