জো বাইডেনের বিজয় ও তুর্কি-মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যত

জো বাইডেনের বিজয় ও তুর্কি-মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যত

মার্কিন মুলুকের নির্বাচন নিয়ে তুরস্কের গণমাধ্যমের খবর, সম্প্রচার ও টকশোগুলো দেখলে মনে হয় ডোনাল্ড ট্রাম্প হেরে যাওয়ায় তার সমর্থকদের চেয়ে তুর্কিরাই বেশি কষ্ট পেয়েছে। তুরস্কের অনেক বিশ্লেষকের মতে ট্রাম্প হেরে যাওয়ায় আমেরিকার নতুন সরকার তুরস্কের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে আক্রমণ চালাবে।

তুর্কি বিশ্লেষকদের মতে, জো বাইডেন শাসিত আমেরিকা আগামী বছরগুলোতে তুরস্কে আরো বেশি বিশৃঙ্খলা তৈরি করার ইন্ধন দেবে। এমনকি সরকার বিরোধী আন্দোলনও ফুঁসলিয়ে দিতে পারে। তাদের কথায় যুক্তি আছে। কারণ, এ বছরের শুরুর দিকে বাইডেন নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক কথোপকথনে তুরস্কের সরকার পরিবর্তনের জন্য আমেরিকার সব ধরণের পন্থা অবলম্বন করার পরামর্শ দেন। তবে আমি এই দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে একটু ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করতে চাই।

ওবামার সময় তুরস্ক-আমেরিকার সম্পর্ক : আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় থেকেই দেশটির সঙ্গে তুরস্কের খারাপ সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু হয়। তুরস্কে ২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর এ সম্পর্ক একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকে। তুরস্ক, আমেরিকা প্রবাসী ফেতুল্লা গুলেনকে অভ্যুত্থানের প্রধান সমন্বয়কারী সাব্যস্ত করে ওবামা প্রশাসনের কাছে তাকে ফেরত পাঠানোর লিগ্যাল নোটিশ দেয়। কিন্তু ওয়াশিংটন তাকে ফেরত পাঠানো তো দূরের কথা তার সাঙ্গপাঙ্গদের আমেরিকায় ঢুকা ও থাকার পথ সহজ করে দেয়।

সিরিয়া ইস্যুতেও আঙ্কারা এবং ওয়াশিংটনের মতপার্থক্য ওবামার সময়কালেই দ্বন্দ্বে রূপ নেয়। তুরস্কের, রাশিয়ায় নির্মিত এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা নিয়েও ওয়াশিংটনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয় ওবামার আমল থেকেই। তার শাসনামলেই তুরস্ক দেশের ভেতরে এবং বাইরে আমেরিকার স্বার্থবিরোধী অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়। যেমন, সিরিয়ায় সামরিক অভিযান পরিচালনা করা ইত্যাদি।

তখন থেকেই ওয়াশিংটনে তুরস্ক বিরোধী আওয়াজ বুলন্দ হতে থাকে। ডেমোক্রাট এবং রিপাবলিকান দুইও দল থেকেই সিনেটররা একত্রে তুরস্কের বিরুদ্ধে আইন পাসের প্রস্তাব করেন কংগ্রেসে। সেই যে শুরু, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরও এই ধারা অব্যাহত ছিল। বছর দুই আগে তিনি তুরস্কের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন টুইটারে।

তখন এক সপ্তাহে কয়েকশ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছিল তুরস্কের। তিনি লাগামহীন কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কথাবার্তা এবং আচরণের মাধ্যমে কখনও তুরস্কের সরকার প্রধানকে যাচ্ছেতাইভাবে হেস্তনেস্ত করেছেন। কখনওবা ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। মোট কথা ট্রাম্প ছিলেন আনপ্রেডিক্টেবল। তবে এরদোয়ান জানতেন তার সঙ্গে কিভাবে খেলতে হয়। আর তুরস্কের লিডার খেলেছেনও সেভাবেই। এ কারণেই ট্রাম্প তার সময় পেন্টাগন এবং মার্কিন কংগ্রেসের অনেকগুলো তুরস্ক বিরোধী পদক্ষেপ রূখে দিয়েছিলেন। এখন বাইডেন ক্ষমতায় আসায় পূরাতন নথিপত্র নতুন করে সামনে আসবে।

এস-৪০০ এবং রাশিয়া : রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে তুরস্কের ওপর অবরোধ-নিষেধাজ্ঞা আরোপ নিয়ে ওয়াশিংটনে আলাপ আলোচনা চলছে অনেকদিন ধরেই। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে তুরস্ক যদি এস-৪০০ চালু করে তবে আমেরিকা অবশ্যই আঙ্কারার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।

তুরস্কও সাফ সাফ জানিয়ে দিয়েছে এত বিশাল টাকা খরচ করে ওই প্রতিরক্ষা বাবস্থা গোডাউনে ফেলে রাখার জন্য কেনা হয়নি। সুতরাং এ বিষয়টি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও উত্তপ্ত তর্ক-বিতর্ক হবে, নিশ্চিত। তবে একটা ন্যাটো সদস্যের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে বাইডেন সরকার অবশ্যই সাত-পাঁচ ভেবে সামনে আগাতে হবে। কারণ, তুরস্ক ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে রাশিয়া, চীন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রাচীরের মত কাজ করে। এধরনের একটি নিষেধাজ্ঞা তুরস্ককে রাশিয়া-চীন-ইরান অক্ষয়ের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে। তাতে ন্যাটোর ক্ষতিই বেশি হবে। তাছাড়া, ট্রাম্প আমেরিকার ভাবমূর্তির যে বারোটা বাজিয়েছে তাতে এসব অবরোধ-নিষেধাজ্ঞার কতটুকু প্রভাব পড়বে সেটা বলা মুশকিল।

তুরস্কের হালক ব্যাংকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ : আমেরিকাতে তুরস্কের একটি সরকারি ব্যাংকের বিরুদ্ধে গোপনে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করার অভিযোগে ব্যাংকটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঝুলন্ত একটি মামলা আছে। মামলাটিতে হালক ব্যাংকের উপ-প্রধানকে কয়েকমাস জেল খাটতে হয় আমেরিকাতে। যদিও পরে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি পান। কিন্তু মামলাটি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে পরবর্তী সময়ে সুযোগমত ব্যবহার করার জন্য। ধারণা করা হচ্ছে, বাইডেন সরকার গঠনের পর তুরস্কের অর্থনীতিকে চাপে ফেলতে ওই মামলা আবার সামনে নিয়ে আসা হবে।

সিরিয়া, ইরাক এবং পিকেকে : সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অর্থাৎ তুরস্কের দক্ষিণ পূর্ব সীমান্ত ধরে পিকেকে-ওয়াইপিজি নামক কুর্দি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটিকে পেন্টাগন যেভাবে অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে সুসজ্জিত করছে, তাতে তুরস্কের ভীত হওয়ারই কথা। পিকেকে, তুরস্কের পূর্বাঞ্চলে স্বাধীন কুর্দি রাষ্ট্র গঠনের লক্ষে কয়েক দশক ধরে তুরস্কের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম করছে। অনেক সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে তুরস্কের বিভিন্ন জায়গায়।

আমেরিকা, ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন পিকেকে কে সন্ত্রাসী গ্রুপ হিসেবে দেখলেও এই একই গ্রুপের সিরিয়ার শাখাটিকে অস্ত্র, রণকৌশল, গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ এবং গোলাবারুদ দিয়ে শক্তিশালী করে তুলছে আমেরিকা। সিরিয়াতে তুরস্কের সীমান্ত ঘেঁষে একটি কুর্দি রাষ্ট্র মানে তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় অনেকগুল প্রদেশে বিভক্তির সূর নতুন করে বেজে উঠা।

তুরস্ক এবং আমেরিকা ন্যাটো সদস্য দেশ হওয়া সত্যেও তুরস্কের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ আঙ্কারাকে ভাবিয়ে তুলেছিল। এ কারণে, তুরস্ক সিরিয়া এবং ইরাকে সামরিক অভিযান চালিয়ে, পিকেকে তথা আমেরিকার এই কৌশল নস্যাৎ করে দিয়েছে। কিন্তু পেন্টাগন এবং বাইডেন প্রশাসন কুর্দিদের নিয়ে তুরস্কের বিরুদ্ধে খেলতে নতুন করে ছক আঁকবেন।

সিরিয়াতে পিকেকে-ওয়াইপিজি গ্রুপটি বেশি শক্তিশালী হলে বাসার আল আসাদ সরকারের জন্যও হুমকিসরূপ। সেক্ষেত্রে তুরস্ক আসাদের সঙ্গেও সমঝোতায় বসতে পারে। ওদিকে ইরাকের উত্তারাঞ্চলের কুর্দি স্বায়ত্ত শাসিত অঞ্চলে তুরস্ক গত দুই বছরে বাপক প্রভাব বিস্তার করেছে। ওখানের কুর্দি সরকারের সম্মতিতেই তুরস্ক ইরাকের ভিতরে ঢুকে পিকেকে-এর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে।

ওখানে কুর্দি সরকার এবং পিকেকের মধ্যে এখন সাপে-নেউলে অবস্থা। সিরিয়া, ইরাক, আজারবাইজান, সোমালিয়া, কাতার এবং লিবিয়ার দিক দিয়ে বিবেচনা করলে, তুরস্ক এসব দেশে নিজেকে এমন শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছে যে তাদের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে তুরস্কের উপস্থিতি মাথায় রাখতে হবে।

মধ্যপ্রাচ্য : বাইডেন ক্ষমতায় এসে সৌদি রাজপুত্র মোহাম্মদ বিন সালমানের লাগাম টেনে ধরবেন। বিশেষ করে সাংবাদিক জামাল খাশোগী হত্যার বিষয়ে তদন্ত এবং আইনি লড়াই নতুনভাবে শুরু হবে। যা পরোক্ষভাবে তুরস্কের অনুকূলে একটি পদক্ষেপ। সৌদি আরব যদি খাশোগি ইস্যুতে পার পেতে চায় তবে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছাড়া কোনও উপায় নেই। ইয়েমেন যুদ্ধ নিয়েও বাইডেন প্রসাশন সৌদি আরবকে চাপে রাখতে চাইবে।

বিশেষ করে সৌদি আরবকে ইয়েমেনে যুদ্ধাপরাধ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ী করা হতে পারে। সৌদি আরবের আরেক শত্রু ইরানকে ট্রাম্প যেভাবে চাপে রাখছিল বাইডেন প্রশাসন সেই কট্টর নীতি অবলম্বন করবে না। ইরানের বিষয়ে বাইডেন ওবামার দেখানো পথেই হাঁটবেন। ট্রাম্পের ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া পারমাণবিক শান্তি চুক্তিতে তিনি আবার ফিরে আসবেন এবং ইরানের ওপর অবরোধ কিছুটা হলেও শিথিল করবেন। সুতরাং এই সবকিছু বিবেচনায় আঙ্কারা এবং রিয়াদ আবারও কিছুটা কাছাকাছি আসার সম্ভবনা আছে।

ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন : হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট হিসেবে যেই আসুক না কেন আমেরিকার সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্কে কোনও ভাটা পড়বে না। তবে বাইডেন ট্রাম্পের মত ইসরাইলের জন্য অন্য দেশকে হুমকি ধামকি কম দিবেন। এই সময়ে তুরস্কের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক আরও গাঢ় হবে। ট্রাম্পের ফিলিস্তিন বিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্কস্থাপন নিয়ে তুরস্ক কিছুটা নীরব ছিল।

এমনকি আমেরিকার নির্বাচনের দিন ইসরাইল এ যাবৎকালের সবচে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালালেও আঙ্কারা খুব উচ্চবাচ্য করেনি। এগুলো ভবিষ্যতে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত। এছাড়াও আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে আজারবাইজানকে আন্তর্জাতিক লবি এবং অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করার ক্ষেত্রে তুরস্ক এবং ইসরাইল একই পক্ষের হয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতে আরও কাছে আসা অসম্ভব কিছু না।

ভূমধ্যসাগর এবং গ্রীস : আজারবাইজান যেমন প্রায় ত্রিশ বছর ধরে নিজের ভূখণ্ড অবৈধভাবে দখলকারী আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারেনি। কিন্তু অস্ত্র এবং সামরিক শক্তি অর্জনের পরে মরণ কামড় দিয়ে নিজের স্বার্থ রক্ষায় লড়ায় করছে এবং সারা পৃথিবী শুধু চেয়ে চেয়ে দেখছে। তুরস্কও তেমনি ভূমধ্যসাগরে প্রায় একশ বছর ধরে নিজের নাকের ডগায় গ্রীস ছুড়ি ঘোরালেও কিছু বলতে পারেনি। এখন সামরিক এবং রাজনৈতিক শক্তি বৃদ্ধির পরে ভূমধ্যসাগরে নিজের স্বার্থ পুনরুদ্ধারের যে সংগ্রাম শুরু করছে তাতে খুব সহজে পিছপা হবে বলে মনে হয় না। আর ভূমধ্যসাগরে তুরস্ক শেষ পর্যন্ত যুদ্ধও বাঁধিয়ে দিতে পারে। ইউরোপ কখনই ওখানে একটি তুরস্ক-গ্রিস যুদ্ধ বাঁধানোর সাহস দেখাবে না।

ফ্রান্স এবং ইউরোপ : ট্রাম্পের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সিদ্ধান্তহীনতায় এবং নেতৃত্ব শূন্যতায় ভুগছিল। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো সেই সুযোগে নিজেকে নেতৃত্বের আসনে বসানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু বাইডেনের বিজয়ের পরেই ইউরোপ থেকে জার্মানির অ্যাঞ্জেলা ম্যারকেলের স্বর বেশি শোনা যাচ্ছে। তাই নতুন করে জার্মানি তার অবস্থানে ফিরে আসলে ম্যাক্রো কিছুটা গুঁটিয়ে নিতে বাধ্য হবে।

পরিশেষে, তুরস্ক তার ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তিমত্তার কারণে একদিকে যেমন বিশ্ব রাজনীতিতে যেমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে বিশ্ব মোড়লদের মাথা ব্যাথারও কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুতরাং আমেরিকার নতুন সরকারের সঙ্গে খেলতে হলে নতুন নতুন কৌশল ও পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাতে হবে। সাবধানে পা ফেলতে হবে।

এখানে ছোট্ট একটি ভুলই ব্যাপক ক্ষতি সাধনে যথেষ্ট। কে কত ভালো খেলে দেখার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। আগামী কয়েকমাসের মধ্যেই আসলে বুঝা যাবে বিশ্ব রাজনীতির নানা গতি প্রকৃতি। রাজনীতিতে যেমন শেষ কথা বলতে কিছু নেই, তেমনি ২৪ ঘণ্টা রাজনীতিতে অনেক লম্বা একটি সময়। খুব অল্প সময়ে অনেক পরিবর্তনই ঘটে যেতে পারে। সময়ই সবকিছু বলে দেবে। লেখক: সরয়ার আলম, চিফ রিপোর্টার ও আঞ্চলিক প্রধান, আনাদোলু এজেন্সি, তুরস্ক