ছাড় দেবে না কেউ কাউকে ; তীব্র হুঙ্কার চীন যুক্তরাষ্ট্র !

ছাড় দেবে না কেউ কাউকে ; তীব্র হুঙ্কার চীন যুক্তরাষ্ট্র !

দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরি ও চীনা নৌবাহিনীর বিপ’জ্জ’নক শক্তি প্রদর্শনের মহড়া প্রায়শই ঘটে থাকে। ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় চীনকে প্রভাবের বলয় থেকে বের করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। আর বাণিজ্যনীতি, হংকংয়ের বি’ক্ষোভে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন, তাই্ওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্তে নাখোস চীন। কো’ভিড–১৯ নিয়েও চীনের সঙ্গে টা’নাপোড়েন রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনাকে চীনা ভাইরাস বলেও কটাক্ষ করেন। ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে সাম্প্রতিক যেসব বিষয় প্রাধান্য দিচ্ছে, তাতে স্পষ্ট যে তাঁরা বৈ’শ্বিক পরিসরে চীনকেই তাঁদের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী বিবেচনা করে। চীনের মেড ইন চায়না–২০২৫’ পরিকল্পনায় উচ্চ প্রযুক্তির ১০টি শিল্পে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে বলেও আভাস পাওয়ার কথা বলছেন বিশ্লেষকরা।

বেশকিছুদিন আগে পার’মাণবিক অ’স্ত্র বহনে সক্ষম নতুন ধরনের ‘হাইপারসনিক’ ক্ষেপ’ণাস্ত্র উৎক্ষে’পণ যা’নের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে চীন। শব্দের চেয়েও ১০ গুণ বেশি গতিতে চলতে সক্ষম এই মা’রণা’স্ত্র। মার্কিন ক্ষে’পণা’স্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁ’কি দিতে সক্ষম এটি। চীনের এ পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র বর্ণনা করেছে ‘চরম রণ’কৌশল’ হিসেবে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এই পরীক্ষা নিয়ে কোনো রা’খঢাক করে’নি। মার্কিন সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইট দি ওয়াশিংটন ফ্রিবিকন-এর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘আমাদের নিজস্ব ভূখণ্ডে এই নির্ধারিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও পরীক্ষাগুলো স্বাভাবিক ঘটনা। এই পরীক্ষাগুলো কোনো দেশকে লক্ষ্যবস্তু করে নয়।’ মার্কিন নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা তো আছেই, নির্বাচনের পর চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সর্ম্পক কোন দিকে মোড় নেয় সেটিও দেখার বিষয়।