ইতিহাসে প্রথম ‘জালিয়াতির অভিযোগে ‘কলঙ্কিত’ মার্কিন নির্বাচন’

ইতিহাসে প্রথম ‘জালিয়াতির অভিযোগে ‘কলঙ্কিত’ মার্কিন নির্বাচন’

আন্তর্জাতিক এক পর্যবেক্ষক মিশন বলছে, মার্কিন নির্বাচনকে ”আইনি অনি’শ্চিয়তা এবং জনগণের বিশ্বাসকে দুর্বল করার নজিরবি’হীন প্রচেষ্টা কল’ঙ্কিত করেছে।” দ্য অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ বা ওএসসিই নামে সংস্থাটি একথা বলছে।

সংস্থাটি বলছে,, কভিড-১৯ এর কারণে নানা ধরণের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও নির্বাচনটি ‘প্রতিযোগিতামূলক এবং ভালোভাবে পরিচালিত’ হয়েছে। তারা বলছে, একইসাথে নির্বাচনী প্রচারণায় গভীর রাজনৈতিক মেরুকরণ নীতিগত বিতর্ককে আড়াল করে ফেলেছে এবং পদ্ধতিগত কারচু’পির ভি’ত্তিহী’ন অ’ভিযো’গকে সামনে নিয়ে এসেছে।

প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য নিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে ওএসসিই মিশন বলেন, পদ্ধতিগত ত্রুটি নিয়ে ভি’ত্তিহী’ন অভিযোগ, বিশেষ করে বর্তমান প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে- তাও আবার নির্বাচনের রাতে- এ ধরণের বিষয়গুলো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে জনগণের আস্থাকে ক্ষ’তিগ্র’স্ত করে। আজ বৃহস্পতিবারের ভোটের আগে পোস্টাল এবং আগাম ভোট নিয়ে শত শত মামলা হয়েছে।

ব্যালট পোস্ট করা এবং রিসিভ করার সময়সীমা এবং প্রত্যক্ষদর্শীর স্বাক্ষর থাকার বিষয়গুলো নিয়েই এই মামলা গুলো হয়েছে। রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত রাজ্যগুলো বলছে যে, জালিয়াতি কমিয়ে আনার জন্য বিধিনিষেধ আরোপের দরকার ছিল। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছে যে, সেগুলো ছিল নাগরিক অধিকার চর্চায় বাধা দেয়ার চেষ্টা।

নির্বাচনের রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বক্তব্যে ভোটকে ‘আমেরিকান জনগণের ওপর একটি প্রতা’রণা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দল এখন পেনসিলভানিয়া, উইসকনসিন, জর্জিয়া এবং মিশিগানে ভোট গণনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে-কোন প্রমাণ না থাকলেও তাদের অ’ভিযো’গ, এ রাজ্যগুলোতে কার’চুপি হয়েছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা।