সাম্প্রতিক ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী ; কঠিন পদক্ষেপের নির্দেশ !

সাম্প্রতিক ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী ; কঠিন পদক্ষেপের নির্দেশ !

দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ধ.র্ষ’ণের ঘ’টনা। একটি ঘ’টনার রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকটি ঘটনা সামনে আসছে। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি এবং উৎ’কন্ঠা বাড়ছে। সরকারও এসব ঘ’টনায় বি’ব্রত।

আর এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষু’দ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আইন মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র গুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘ’টনাগুলো মনিটরিং করছে। এ ধরনের ঘৃ’ন্য কাজের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্র গুলো বলছে, এসব ঘ’টনা বন্ধে প্রধানমন্ত্রী ১০টি নির্দেশনা দিয়েছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে। এগুলো হল-

১. এ ধরনের অ’পক’র্মের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রে’প্তার করতে হবে।
২. ধ.র্ষ’কের কোন রাজনৈতিক পরিচয় নেই। সে যেই হোক না কেন, কোন ছাড় দেয়া হবে না।
৩. নি’র্যাতি’ত নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. এসব ঘটনার দ্রুত এবং প্রভাব মুক্ত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
৫. নি’র্যাতি’ত নারী এবং ঐ পরিবারকে আইনী সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
৬. এসব ঘটনা বন্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরো তৎপর হতে হবে।

৭. এসব ঘটনায় যদি পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অবহেলায় সচেতনতা মূলক কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
৮. এসব বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনে এলাকায় সচেতনতা মূলক কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

৯. জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে সমন্বয় সভা করে, এব্যাপারে নজরদারি বাড়াতে হবে।
১০. স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ধর্ষণ বন্ধে ভূমিকা রাখতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র গুলো বলছে, এসব ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দুঃখিত এবং ব্যথিত। যারা এসব করছে, তারা মানুষ নামের ‘নরপশু’ বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট সূত্র গুলো বলছে, এ ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দেখানোর জন্য তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।