সরকারকে ‘কঠিন চ্যা’লেঞ্জ’ ছুড়ে দিল ভিপি নুর!

সরকারকে ‘কঠিন চ্যা’লেঞ্জ’ ছুড়ে দিল ভিপি নুর!

নুরুল হক নুর সরকারের উদ্দেশ্যে চ্যা’লেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, ‘পৃথিবীতে কোনও স্বৈ’রাশাস’ক টি’কতে পারেনি। আপনারাও পারবেন না। চ্যা’লেঞ্জ করলাম, দুদিন আগে-পরে আপনাদেরও চলে যেতে হবে।’ সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা য‌দি স্বেচ্ছায় না যান তাহলে নি’র্ম’ম-নি’ষ্ঠুর পরিণতির মধ্য দিয়ে বিদায় নিতে হবে।

তবে আমরা চাই না মু’ক্তিযু’দ্ধ পরিচালনাকারী একটি দল, বঙ্গবন্ধুর একটি দল স্বৈ’রাচা’রী খেতাব নিয়ে ক্ষ’মতা থেকে বিদায় নিক।’ রবিবার (১১ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। ভিপি নুর বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ধ.র্ষ”ণের মহোৎ’সব চলছে। এটাতো একদিনে হয়নি।

এই যে দেশে যুবলীগের ক্যা’সিনোকা’ণ্ড, ওসি প্রদীপের ঘ’টনা, ছাত্রলীগ নেতাদের এমসি কলেজে গৃ’হবধূকে ধ.র্ষ”ণ- বর্তমান সরকার তো টি‌কেই আছে এই ছাত্রলীগ, ক্যা’সিনো যুবলীগ, ওসি প্র’দীপের মতো লোকদের দিয়ে। তাই বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির যদি পরিবর্তন করা না যায়, এই অবৈধ সরকারের যদি প’তন ঘটানো না যায়, তবে ধ.র্ষ”ণ-নি’র্যাত’ন থেকে দেশের মা-বোনেরা মুক্ত হতে পারবেন না।’ ‘পরিবর্তন আনতে হলে ল’ড়াই-সং’গ্রাম করতে হবে’

মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘শুক্রবার আর শনিবার প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, জনসমাবেশ, বি’ক্ষোভ সমাবেশ করে কোনও লাভ হবে না। গুণগত পরিবর্তন করতে হলে ল’ড়াই-সং’গ্রাম করতেই হবে। এবং বিভিন্ন জায়গায় যারা সং’গ্রাম করছেন সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একত্রিত হয়ে ল’ড়াই-সং’গ্রাম করতে হবে। তাহলেই চূড়ান্তভাবে সফল হওয়া যাবে।’

‘স্বৈরাচারী সরকারের কুশীলবদের বিচার করা হবে’- এমন হুঁ’শিয়ারি উচ্চারণ করে ডাকসুর সাবেক এই সহ-সভাপতি বলেন, ‘মু’ক্তিযু’দ্ধের ৪২ বছর পরে এদেশে যু’দ্ধাপ’রাধীদের বিচার হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হ’ত্যার বিচার হয়েছে। ২০০৮ সালে ওয়ান-ইলেভেনের পড়ে যারা এদেশের বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বং’স করে, গণতন্ত্রকে ধ্বং’স করে একটা স্বৈ’রাশা’সন কায়েম করেছে,

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ভিন্নমত দ’মন করে গু’ম-খু’নের রা’জত্ব কায়েম করেছে, আপনাদেরও বিচার হবে। যেদিন এই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সেইদিন খুব বেশি দূরে নয়।’ ‘প্রয়োজনে জীবন দিবও তারপরও এই দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবো’- যোগ করেন তিনি।

যুবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে কোনও দেশে বৃদ্ধরা আ’ন্দোলন করেন নাই। সব আ’ন্দোলনই যুবকরা করেছে। ছাত্ররা করেছে। বৃদ্ধরা শুধু পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তাই এই টগবগে যুবকদের একত্রিত হয়ে আ’ন্দোলন করতে হবে। তাহলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে।’