মেম্বারের সাথে নিয়মিত মেলামেশা করেও সরকারি ঘর পেলেন না গৃহবধূ!

মেম্বারের সাথে নিয়মিত মেলামেশা করেও সরকারি ঘর পেলেন না গৃহবধূ!

কুমিল্লার মুরাদনগরে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ঘর দেয়ার প্রলোভনে হতদরিদ্র এক গৃহবধূকে পালাক্রমে ধ.র্ষ’ণ করেছেন প্রভাবশালী এক ইউপি সদস্য। উপজেলার টনকি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের প্রভাবশালী সদস্য মজিবুর রহমানের বি’রুদ্ধে এ ধ.র্ষ’ণের অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় বা’ঙ্গরা বাজার থা’নায় মা’মলা দা’য়েরের চেষ্টা করলেও পুলিশ নেয়নি বলে অ’ভিযোগ করেছেন নি’র্যাতি’ত ওই নারী। পরে তিনি কুমিল্লার নারী ও শিশু আ’দালতে মা’মলা দায়ের করলে ঘ’টনার ত’দন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আ’দালত কুমিল্লা পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার আ’দালত থেকে মা’মলার নথি পিবিআই কার্যালয়ে পৌঁছেছে।

মা’মলার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন টনকি গ্রামের এক সিএনজি চালকের স্ত্রী একটি বাসগৃহের জন্য স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মজিবুর রহমানের কাছে অনুরোধ করেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ওই গৃহবধূকে একটি ঘর দেয়ার আশ্বাসে তার ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেয়ার পর তার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান।

এক পর্যায়ে তাকে শা’রীরি’ক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ওই গৃহবধূ প্রথমে রাজি না হলেও ঘর দেয়ার প্র’লোভ’নসহ নানা কৌশলে তাকে ধ.র্ষ’ণ ক’রেন মজিবুর রহমান। কিন্তু সরকারি বরাদ্দে ঘর না পাওয়ায় ইউপি সদস্যকে চাপ দিতে থাকেন গৃহবধূ।সর্বশেষ গত ১০ সেপ্টেম্বর ঘটে বি’পত্তি। ওই গৃহবধূর সঙ্গে ফের শা’রীরি’ক সম্পর্ক করতে যান অভিযুক্ত ইউপি সদস্য।

এ সময় গৃহবধূ বাধা দিলেও তিনি ধ.র্ষ’ণ করার চেষ্টা করলে গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উ’দ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় পালিয়ে যান ইউপি সদস্য। ওই গৃহবধূ বলেন, ‘আমি সুস্থ হয়ে ঘ’টনার দু’দিন পর থা’নায় মা’মলা করতে গেলে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা মামলা গ্রহণ না করে আ’দালতে অ’ভিযোগ দা’য়েরের পরামর্শ দেন।

১৪ সেপ্টেম্বর অ’ভিযোগ দায়ের করলে আদালত ঘ’টনার ত’দন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লার পিবিআইকে নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু এখনও মাঠ পর্যায়ে ত’দন্ত শুরু হয়নি।’ তবে ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান তার বি’রুদ্ধে আনীত অ’ভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এলাকার একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বি’রুদ্ধে ষ’ড়য’ন্ত্র করে ওই গৃহবধূকে দিয়ে মিথ্যা মা’মলা করিয়েছে।

এ সব ঘ’টনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। ষ’ড়য’ন্ত্রকারীরা আমার বি’রুদ্ধে একে একে চারটি মা’মলা দিয়েছে। এ বিষয়ে মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম মিয়া বলেন, আদালত থেকে ধ.র্ষি’তার অ’ভিযোগ পেয়েছি। তাকে ডাক্তারি পরীক্ষাসহ ঘট’নাস্থলে গিয়ে ত’দন্ত এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে। ঘ’টনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বি’রুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামন তালুকদার বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমার কাছে এ ধরনের কোনো অভি’যোগ করতে কেউ আসেনি। যদি কেউ অ’ভিযোগ করতো তাহলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হতো।