তাহলে ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে চলেছে ?

তাহলে ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক হতে চলেছে ?

সাম্প্রতি নানা ইস্যু নিয়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের পরোক্ষ একটা মতবিরোধ দৃশ্যমান ছিল। সেই পরোক্ষ দ্বন্দ নিরসনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদী অনেকটা চেষ্টা করে যাচ্ছেন।এরই মধ্যে দুই দেশের একত্রে মহড়া কিছুটা হলেও এই মনোমানিল্য ঘুচবে বলে আসা করা যায়।

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও ভারতীয় সমুদ্রসীমার নির্ধারিত এলাকায় দুই দেশের নৌবাহিনীর জাহাজ ও এমপিএ (মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফ্ট) এর অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে যৌথ টহল ও দ্বিপাক্ষিক মহড়া। শনিবার (৩ অক্টোবর) তৃতীয়বারের মতো বঙ্গোপসাগরে শুরু হয় বাংলাদেশ ও ভারতের এই যৌথ টহল ও মহড়া। এই টহল চলবে সোমবার পর্যন্ত।

আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যৌথ এ টহল ও মহড়ায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যু’দ্ধজাহাজ বানৌজা প্রত্যয়, বানৌজা আবু বকর ও ১টি এমপিএ এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর যু’দ্ধজাহাজ আইএনএস কিলতান ও আইএনএস খুকরি এবং ১টি এমপিএ।

যৌথ টহল ও মহড়ায় অংশ নিতে শুক্রবার (২ অক্টোবর) মোংলা নৌজেটি ছাড়ে নৌবাহিনীর যু’দ্ধজাহাজ বানৌজা প্রত্যয় ও বানৌজা আবু বকর। আইএসপিআর জানায়, সমুদ্র এলাকায় অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ, চো’রাচালান, মা’নবপাচার, জলদস্যুতা এবং মা’দক পা’চারসহ বিভিন্ন অ’পরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিরসনে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ টহল ও মহড়া পরিচালিত হবে।

দু’দেশের এই যৌথ টহল ও মহড়া বঙ্গোপসাগরে নিজ নিজ জলসীমায় সমুদ্রবিষয়ক অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান, তথ্যাদির সঠিক ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রপথে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাহাজসমূহ চিহ্নিতকরণ ও বিভিন্ন অ’পরাধ নিরসন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এ ছাড়া যৌথ এ টহল ও মহড়ার সফল বাস্তবায়ন সমুদ্রপথে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা ও সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে আশা করা যায় বলে আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।