জাতিসংঘে চীনের বি’রু’দ্ধে ৩৯ দেশ, উইঘুর মুসলিম নিয়ে তীব্র বা’দানুবাদ

জাতিসংঘে চীনের বি’রু’দ্ধে ৩৯ দেশ, উইঘুর মুসলিম নিয়ে তীব্র বা’দানুবাদ

একদিকে জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্রসহ ৩৯টি দেশ। অন্যদিকে চীন এবং তার সমর্থনকারী কিউবা, পাকিস্তানসহ আফ্রিকার এবং আরবের একাধিক রাষ্ট্র। জাতিসংঘে তী’ব্র বা’দানুবা’দে জড়িয়ে পড়ল বিশ্বের দুই অর্ধ। বি’ত’র্কের কেন্দ্রে চীন। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘে একটি প্রস্তাব পেশ করেছে জার্মানি, যাতে আরো ৩৮ দেশের সমর্থন রয়েছে।

সেখানে চীনের বি’রু’দ্ধে তী’ব্র অস’ন্তোষ প্রকা’শ করা হয়েছে। জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে অনা’চার থেকে শুরু করে তিব্বতে চীনের আ’গ্রা’সন, হংকংয়ের বর্তমান পরি’স্থিতি, চীনের মূল ভূ’খ’ণ্ডে নাগরিকের অধিকার হ’র’ণ- বিবিধ বিষয়ে শি জিনপিংকে আ’ক্র’মণ করেছে জার্মানি। তবে চীনকে এসব বিষয়ে এই প্রথম আ’ক্র’মণ করছে না জার্মানি।

মাত্র কয়েক দিন আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আয়োজিত এক বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্টের সামনেই এসব প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল। কিন্তু মঙ্গলবারের ঘ’টনা অন্যদিকে মো’ড় নেয়। মঙ্গলবার জাতিসংঘে জার্মানি যে প্রস্তাব পেশ করেছে, তাতে সই করেছে বিশ্বের ৩৯টি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যও আছে। রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অধিকাংশ দেশ। এর আগে চীনের বি’রু’দ্ধে এতগুলো দেশ একজোট হয়নি কখনো।

স্বাভাবিকভাবেই জার্মানির পদক্ষেপে অত্যন্ত ক্ষু’ব্ধ হয় চীন। ফলে জাতিসংঘে নিজেদের সমর্থন আদায়ে নেমে পড়ে তারা। সঙ্গে পেয়ে যায় পাকিস্তান, কিউবাসহ একাধিক আরব এবং আফ্রিকার দেশকে। এরপর তী’ব্র ভাষায় জার্মানিকে আ’ক্র’মণ করেন জাতিসংঘে চীনের প্রতিনিধি।

তিনি বলেন, জার্মানি যা প্রস্তাব পেশ করেছে, তা ভি’ত্তিহী’ন। চীন তার নাগরিকদের সঙ্গে অ’ন্যা’য় ব্যবহার করে না। জার্মানি যা বলছে, তা একান্তই চীনের অ’ভ্য’ন্তরী’ণ বিষয়। এ নিয়ে চীন কারো কাছে জ’বা’বদিহি করতে বা’ধ্য নয়। উইঘুর মুসলিম, হংকং এবং তাইওয়ান নিয়ে গত কিছুদিন ধ’রে যথেষ্ট বি’ড়’ম্বনায় চীন।

একের পর এক দেশ এ বিষয়ে চীনের বি’রো’ধিতা করছে। হংকংয়ে বিশেষ আইন বলবৎ করে প্রায় গোটা বিশ্বের বি’রা’গভা’জন হয়েছেন শি জিনপিং। তাইওয়ান নিয়ে দ্ব’ন্দ্বও প্রকাশ্যে চলে এসেছে। সম্প্রতি তাইওয়ান দিবস নিয়ে তাইওয়ানের সরকার ভারতের বিভিন্ন পত্রিকায় বি’জ্ঞা’পন দিয়েছিল। তা নিয়েও তী’ব্র অস’ন্তো’ষ প্র’কা’শ করেছে চীন।

বলা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ভারত বরাবর চীনের ‘এক চীন’ নীতি মেনে চলেছে। ভারত যেন এমন কিছু না করে, যাতে সেই নীতির সঙ্গে আ’প’স করা হয়। ভারতের পত্রপত্রিকা যেন এক চীন নীতি মেনে চলে। ভারত জবাবে জানিয়েছে, দেশের সব পত্রপত্রিকা স্বাধীনভাবে কাজ করে। সেখানে হ’স্তক্ষে’প করার অধি’কার সরকারের নেই। সূত্র : ডয়েচে ভেলে।