এবার নতুন আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী কন্যা পুতুল !

এবার নতুন আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী কন্যা পুতুল !

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা। জাতির পিতার দোহিত্রী। কিন্তু এই সব পরিচয় ছাপিয়ে, নিজ পরিচয়ে উদ্ভাসিত তিনি। একজন মনোবিজ্ঞানী, আন্তর্জাতিক খ্যতি সম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিশ্বে যারা আলোচিত, তাদের মধ্যে প্রথম দিকেই থাকবে সায়মা ওয়াজেদ এর নাম।

আওয়ামী লীগ সভাপতির কন্যা হয়েও রাজনীতি থেকে দুরে। নিজের বিষয় ছাড়া, অন্য বিষয়ে তিনি কথা বলেন না। সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারনে তিনি আলোচনায় দুটি ওয়েবিনার আলোচনায় তার বক্তব্য প্রশংসিত হচ্ছে। প্রথমটি, ইউএনডিপি এবং সিআরআই এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘পাবলিক প্লেসে নারীর নিরাপত্তা বিষয়ক প্রচারনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

দ্বিতীয়টি, করোনায় মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা। ইউএনডিপি এবং সিআরআই এমন এক সময়ে এই প্রচারনা কার্যক্রম শুরু করলো যখন সারাদেশে ধর্ষণ এবং নারী নির্যাতন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে পৌছেছে। ঐ প্রচারনার উদ্বোধনী পর্বে সায়মা ওয়াজেদের বক্তব্য ব্যাপক ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে তার বক্তব্যও বিভিন্ন জায়গায় উদ্বৃতি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর প্রেক্ষিতেই প্রশ্ন উঠেছে, পুতুলই কি আগামী দিনের আওয়ামী লীগের কান্ডারী হতে যাচ্ছেন?

সায়মা ওয়াজেদ মার্জিত, কথা বার্তা পরিশীলিত। ভবিষ্যতের রাজনীতিবীদ হবার জন্য যে সব গুনাবলী দরকার, তার সবই পুতুলের মধ্যে আছে। আওয়ামী লীগের অনেকেই মনে করেন, শেখ হাসিনার সবচেয়ে যোগ্য উত্তরসূরী হতে পারেন তিনি।

এখন করোনা কালে পুতুল প্রায় সার্বক্ষনিক ভাবেই মায়ের সঙ্গে আছেন। জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচীতেও তাকে মায়ের পাশেই দেখা গেছে। এজন্যই তার ব্যাপারে কথা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের অনেকেই মনে করছেন, শেখ হাসিনা কি সায়মা ওয়াজেদকে নেতৃত্বের জন্য গড়ে তুলছেন?

কিন্তু আওয়ামী লীগে যারা প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, তারা এরকম সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তাদের মতে, প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে এখন পর্যন্ত জড়াতে আগ্রহী নন সায়মা ওয়াজেদ। আপাতত তেমন সম্ভাবনাও নেই।

তিনি তার পেশাগত দক্ষতাকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে নিয়ে যেতে চান। এনিয়েই তার সব মনোযোগ। তবে, বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার ধমনীতে, তিনি কি কখনো হলফ করে বলতে পারবেন, রাজনীতি তার জন্য নয়?