আরো ১৫ এমপি পুত্র নজরদারিতে : গ্রেফতার যেকোন সময় !

আরো ১৫ এমপি পুত্র নজরদারিতে : গ্রেফতার যেকোন সময় !

আওয়ামী লীগের নেতা, এমপি, জনপ্রতিনিধিদের পুত্রদের সামলানোর নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের একাধিক এমপির পুত্রের বি’রুদ্ধে নানা রকম অ’ভিযোগ আছে। এসব অ’ভিযোগের ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

ইরফান সেলিমের ঘটনার পর অন্তত ১৫ জন এমপি পুত্র গোয়েন্দা নজরদারীতে আছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে অন্তত ৫ জন গ্রে’প্তার আতংকে ভুগছেন। আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আজ এক এমপিকে বলেছেন ‘ছেলে সামলাও না হলে এমপি গিরি ছাড়ো।

ছেলের জন্য তোমার বদনাম হবে। ছেলেকে বাঁচাতে পারবে না, তুমিও বাঁচতে পারবে না।’ ইরফান সেলিমের ঘটনার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের।

জানা গেছে অন্যান্য সাংগঠনিক বিষয়ের পাশাপাশি এমপি এবং তাদের ভাই এবং পুত্রদের নিয়েও কথা হয়েছে। আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সব জানেন। কার ছেলে কোথায় কি করে। এদের সংখ্যা খুব কম। হাতে গোনা ৫/৬ জন। অথচ এদের কারনে দল এবং সরকার বিব্রত হয়।

জানা গেছে, কয়েকজন এমপি পুত্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অ’ভিযো’গ আছে। সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত এই অ’ভিযো’গ তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এসব অ’ভিযো’গ সত্যি হলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। কয়েকজন এমপির পুত্রের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অ’ভিযো’গ নেই, কিন্তু এরা উশৃংখল জীবন যাপন করে, বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতার দাপট দেখায়।

এদের সাবধান করে দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেছেন ‘ক্ষমতাসীন দলের নেতা এবং এমপিদের দৌরাত্ম শুরু হয় ২০০১ সাল থেকে। এর আগে তোফায়েল ভাইয়ের ছেলে মেয়েরা কি ভাবে বড় হলো কেউ টেরই পেলো না।

নাহিন (নাহিন রাজ্জাক এম.পি) এখনও মাথা উচু করে কথা বলে না। আর তোফায়েল ভাইয়ের মেয়ে মুন্নীকে তো কেউ চেনেই না। এটাই হলো আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি।’ তিনি বলেন ‘২০০১ সালে তারেক, মাহির অ’ত্যাচা’র শুরু হয়।

তখন অন্য মন্ত্রী, এমপির ছেলে মেয়েরাও মনে করে, আমরা কেন বসে থাকবো। শুরু হলো আকবর পুত্র, সাইফুর রহমান পুত্র, তরিকুল পুত্রদের দৌরাত্ম।’ তিনি বলেন ‘আমরা ঐ সংস্কৃতি থেকে রাজনীতিকে বের করে আনার চেষ্টা করছি।’