ধ’র্ষ’কের যৌ’নাঙ্গ ক’র্তনের আইন চেয়ে আদালতে জালাল!

ধ’র্ষ’কের যৌ’নাঙ্গ ক’র্তনের আইন চেয়ে আদালতে জালাল!

ধ.র্ষ’কের যৌ’না’ঙ্গ ক’র্তনের আইন চেয়ে আদালতে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়ালেন সৈয়দ আহসান জালাল (৬০) নামে এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ নতুন ভবনের সামনের রাস্তায় তাকে প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা যায়।

জালাল গণমাধ্যমকে জানান, দেশে দিনের পর দিন ধ.র্ষ’ণ ও খু’নের ঘ’টনা বাড়ছে।এর অধিকাংশ শিকার মধ্যবিত্ত পরিবারের নারী, কিশোরী অথবা শিশু। আইনের ফাঁক-ফোঁকর দিয়ে আ’সামিরা বের হয়ে আবার একই কাজে লিপ্ত হচ্ছে।

তিনি মনে করেন, প্রচলিত আইনে যে সাজা রয়েছে তাতে ধ.র্ষ’ণ বন্ধ হবে না। এজন্য নতুন আইন চাই। প্রতিদিন ধ.র্ষ’ণের খবর দেখে একজন বিবেকবান মানুষ ঘরে থাকতে পারে না। এজন্যই তিনি প্ল্যাকার্ড হাতে আদালতের সামনে দাঁড়িয়েছেন।

আরো পড়ুন :প্রকাশ্যে রাস্তায় স’ঙ্গমে বাধ্য করা হলো দম্পতিকে !

প্রকাশ্যে রাস্তায় স’ঙ্গ’মে লি’প্ত হতে বাধ্য করা হলো এক দম্পতিকে। এছাড়াও সেই ঘ’টনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ঘ’টনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের ফয়জলাবাদ জেলায়। এ ঘ’টনায় এক সন্দে’হভাজন ব্যক্তিকে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে তারা সেখানকার একটি হাইওয়ের ধারে বসে গল্প করছিলেন।

এমনসময় আ’চমকা তিনজন অ’জ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি এসে তাদের সেখানেই স’ঙ্গ’মে লি’প্ত হওয়ার নির্দেশ দেয়। ওই দম্পতি রাজি না হলে তাদের শা’রীরি’ক নি’গ্রহও করা হয়। শেষ পর্যন্ত তাদের কথা মেনে নিতে বাধ্য হন ওই দ’ম্পতি। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, ঘ’টনার ভিডিও ব্যবহার করে ওই দ’ম্পতিকে ব্ল্যা’কমে’ইল করে অর্থ আ’দায়ের চি’ন্তা ছিলো ওই দু’ষ্কৃ’তীদের।

কিন্তু, ওই দম্পতির কাছ থেকে কোনো অর্থ না পেয়ে তারা ক্লি’পটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে। এদিকে ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়ে তী’ব্র শো’রগো’ল তৈরি হয়। এরপর ত’দ’ন্তে নামে পুলিশ। জানা যায়, ওই দু’ষ্কৃ’তীদেকর মধ্যে দুইজনের নাম বাবর এবং এহসান। অপরজনের নাম এখনও জানা যায়নি। পুলিশ ইতিমধ্যেই বাবরকে গ্রে’প্তার করেছে।

অপর দুঅজন পালিয়েছে, তাদের গ্রে’প্তারের জন্য অ’ভিযান চলছে। তিনজনের বিরুদ্ধেই মা’মলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বাবর দাবি করেছে, ওই দ’ম্পতি আগে থেকেই আ’পত্তি’কর কাজক’র্মে লি’প্ত ছিল। তাই সে আর তার সহযোগীদের তাদের জোর করে স’ঙ্গ’মে বাধ্য করেছিল। এহসান ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করে বলে দাবি করেছে সে।