আইপিএলের সাফল্য পাকিস্তানিদের কারণে!

আইপিএলের সাফল্য পাকিস্তানিদের কারণে!


ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৩তম আসরে অংশ নিচ্ছেন একজন মার্কিন ক্রিকেটার। তবু দুই ফরম্যাটেরই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটার নেই। অবশ্য শুধু এবারই নয়, উদ্বোধনী আসরের পর থেকে কোনো আসরেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নেওয়া হয়নি। অথচ আইপিএলের সাফল্যই কিনা পাকিস্তানিদের কারণে!

আইপিএলে নানামুখী চ্যালেঞ্জে পড়তে হয় আম্পায়ারদের।
আইপিএলের সাফল্য পাকিস্তানিদের কারণে- এই দাবি সাবেক আম্পায়ার আসাদ রউফের। পাকিস্তানি এই আম্পায়ার অবশ্য পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের নয়, আম্পায়ারদেরকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। নিজ দেশ পাকিস্তানে আম্পায়ারিংয়ের মান বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আলাপকালে তুলে ধরেছেন, পাকিস্তানি আম্পায়াররা কীভাবে আইপিএলের মান বাড়িয়েছেন।

রউফ বলেন, ‘পিএসএলে আম্পায়ারিংয়ের মান আরও বাড়াতে হবে। বাজে আম্পায়ারিং একটি টুর্নামেন্টকে ডুবিয়ে দেয়। আইপিএলের প্রথম আসরগুলোতে সমর্থকদের পাশাপাশি অধিনায়করাও আম্পায়ারিং নিয়ে প্রশ্ন তুলত। দুই দেশের মধ্যে বৈরি সম্পর্ক থাকার পরও পাকিস্তানের আম্পায়ারদের আইপিএলে ডাকা হত, আর তা মাঠে আমাদের সঠিক সিদ্ধান্তগুলোর কারণেই। আইপিএলের সাফল্যে পাকিস্তানিদের অবদান ছিল। আম্পায়ারদের এই কাজ কোনো সহজ কাজ নয়। তবে নানা কারণে পাকিস্তানে আম্পায়ারিংয়ের মান কমে গেছে।’

অবশ্য প্রশ্নের মুখে পড়ে আম্পায়ারিং ছাড়তে হয় খোদ এত বড় বড় সাফাই গাওয়া রউফকেই। আইপিএলেই তার নাগাল পায় জুয়াড়িরা। সেই ফাঁদে পা দিয়ে ২০১৩ সালের কুখ্যাত ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়েন। দোষ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৬ সালে তাকে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে আইসিসি। আইসিসির এলিট প্যানেলের সাবেক এই আম্পায়ার এই নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েও অবশ্য আর আম্পায়ারিংয়ে ফিরতেন না। এই পেশা থেকে ইতোমধ্যে অবসর নিয়েছেন তিনি।