ভয়ঙ্কর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো ইরান ; নতুন আতঙ্কে আমেরিকা !

ভয়ঙ্কর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো ইরান ; নতুন আতঙ্কে আমেরিকা !

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই নতুন ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষে’পণা’স্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান। নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এ ক্ষেপণাস্ত্র ১ হাজার ৪শ’ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি দেশটির।

এদিকে, ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি নিয়ে উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি জাহাজ আটক করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার নতুন দুইটি ক্ষে’পণা’স্ত্রের পরীক্ষা চালায় ইরান। দেশটির তৈরি ব্যালিস্টিক ও নতুন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দুটি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য বলে জানা গেছে।

শহীদ কাসেম সোলেমানি এবং শহীদ আবু মাহদি নামের মাঝারি পাল্লার এ ক্ষেপণাস্ত্র দু’টি ১ হাজার ৪শ’ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। আগ্রাসন নয়, নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতেই ক্ষেপণাস্ত্রের এ উন্নয়ন বলে জানিয়েছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।

হাসান রুহানি বলেন, ‘ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিশেষ করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা যে এ ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ৩০০ থেকে ১০০০ কিলোমিটার করতে পেরেছি, এটা অসাধারণ অর্জন।

আমাদের সামরিক শক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কোনো দেশে হা’ম’লার জন্য নয় বরং প্রতিরক্ষামূলক। প্রতিবেশী দেশগুলোকে আমরা সেই নিশ্চয়তা দিচ্ছি। আমাদের এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তাদের জন্যও কাজে দেবে। ২০১৫ সালে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর করে ইরান।

চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের অক্টোবরেই ইরানের ওপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কথা রয়েছে। ঐ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব আনলেও ব্যর্থ হয় ওয়াশিংটন। এ বিষয়ে আবারো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থাপন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

এদিকে, আবুধাবি-তেল আবিব শান্তিচুক্তি নিয়ে চলমানার উত্তেজনার মধ্যেই এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি জাহাজ নাবিকসহ আ’টক করেছে ইরান। জলসীমা লঙ্ঘন ও আমিরাতের কোস্টগার্ডের গু’লিতে দুই ইরানি জেলে নি’হ’ত হওয়ার পর জাহাজ আ’টক করা হয়েছে বলে দাবি দেশটির।