ভ’য়ঙ্কর ওসি সেই প্রদীপ কুমার দাস!

ভ’য়ঙ্কর ওসি সেই প্রদীপ কুমার দাস!

মা’দক বি’রোধী অ’ভিযানের নামে নির্বিচারে মানুষ হ’ত্যা নিয়ে বিবিসি বাংলায় প্রচারিত সংবাদ বিশ্ব বিবেককে নাড়িয়ে দিলেও পুলিশের ঘাঁপটি মে’রে থাকা গুটি কয়েক স’রকার বি’রোধী এখনো নি’র্মম হ’ত্যাকান্ড চা’লিয়ে যাচ্ছে।

প্রকৃত মা’দক ব্যবসায়ী ছাড়া নিরহ কেউ যেন এই পরিস্থিতির শি’কার না হয়, সে বি’ষয়টি স্থানীয় সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে বলা হলেও শুধু নিজের স্বার্থেই তা মানছেন না কেউ কেউ। বি’ষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় দেশের কোন মা’নবাধিকার সংগঠন এ ব্যাপারে এখনো মুখ খুলেননি।

ভ’য়ংকর মা’দকের বি’রুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সকে অ’পব্যবহারে করে টেকনাফের ওসি প্রদীপ কুমার দাস মেতে উঠেছেন বে’পরোয়া ঘুষ বাণিজ্যে। বিএনপির আমলে প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর আশির্বাদে চাকুরীতে যোগ দিয়ে নিজের কুকীর্তি আড়াল করতে তিনি এখন রূপ পাল্টিয়ে হয়েছেন মহা আওয়ামীলীগ।

বিভিন্ন থানায় চাকুরী জীবনে এক সময় আওয়ামীলীগ নিধনে ব্যস্ত সময় কা’টানো ওসি প্রদীপ দাস শুধু মা’দক নির্মূলে আতংক সৃষ্টি করে বনে গেছেন সী’মান্তের বাঘ। দেশের আইন-আ’দালত কিছুই তোয়াক্কা না করে শুধু নিজের পকেট ভারী করতে তিনি টেকনাফবাসীর উপর চা’লিয়ে যাচ্ছেন নি’র্যাতনের স্টীম রোলার। ইতোমধ্যে কক্সবাজারের এক ভ’য়ঙ্কর ওসি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন প্রদীপ কুমার দাস।

যোগদানের প্রথম দিন থেকে কথিত ব’ন্দুকযু’দ্ধের নাম দিয়ে তালিকাভুক্ত বেশ ইয়াবা সম্রাট নিধন করে মানুষের প্রশংসা কুড়ানো সেই ওসি টাকা আর মা’দকে উন্মাদ হয়ে এ পর্যন্ত অনেক নিরহ মানুষকে করেছেন নির্বিচারে হ’ত্যা। দিয়েছেন মি’থ্যা মা’মলার বোঝা।

স’রকার, ইসলাম ও মু’সলিম বিদ্বেষী এই পুলিশ কর্মকর্তার অ’ত্যাচারে টেকনাফে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা পা’লিয়ে বেড়ালেও সাংবাদিক গোলাম মোস্তফার পরিবারে এখন নিরব কা’ন্না। চলছে বুক ফাটা আহাজারি। তার দুই ন’ষ্ট করে পেলেছে। সে এখন চোখে দেখে কম?

স্থানীয় সুশীল সমাজ মা’দক যু’দ্ধে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করলেও ওসি প্রদীপ পুরো টেকনাফ বাসীকে মা’দকে সম্পৃক্ততার হু’মকি ধমকি, হা’মলা, লু’টপাট ও মা’মলা দিয়ে তটস্থ রেখেছেন। ব্যবসা তো দূরের কথা জীবনে যারা ইয়াবা দেখেননি, তাদেরকে ধরে নিয়ে নিজের ট’র্চার সেলে মাসের পর মাস আ’টকিয়ে সর্বস্ব লু’টে হয় খু’ন, নয় অ’স্ত্র ইয়াবা দিয়ে চালান অব্যাহত রেখেছেন।

সারা জীবন মহান মুক্তিযু’দ্ধ ও তার দল আওয়ামীলীগের অতন্ত্র প্রহরীদের নূন্যতম শ্রদ্ধা না দেখিয়ে গায়ে ইয়াবার কালি লাগিয়ে ওসি প্রদীপ নাফ সী’মান্তে দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী পেশার মানুষকে জি’ম্মি করে বে’পরোয়া হয়ে উঠেছেন দিন দিন। স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজকেও ক্রস ফায়ারের হু’মকি দিয়ে চাটুকার বোবা বানিয়ে রেখেছেন তিনি।

মু’সলিম প্রধান দেশে বি’তর্কি’ত এই ওসি পবিত্র রমজান মাসে ইফতার, সেহেরী, তারাবি পড়তে দেয়নি অনেক নিরপরাধ মু’সলিমকে। সভ্যতার ইতিহাসে ব’র্বরতার নজির সৃষ্টি করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স’রকার ও পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নে জ’ড়িত এই ওসি কিছুদিন আগে হ্নীলার জনৈক সুদুরের ছেলে শাহীনকে পবিত্র জুমার নামাজে সালাম ফিরাতে না দিয়ে মসজিদ থেকে তুলে নিয়ে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করেন। যা প্রত্যক্ষদর্শী মুসল্লীদের হৃদয়ে আ’ঘাত হানলেও পুলিশের ভ’য়ে কেউ মুখ না খুলে নিরব কা’ন্নায় মহান আল্লাহর কাছে নালিশ দিয়েছেন বলে জানিয়ে অনেকেই বলেন, প্র’তিবাদ কিভাবে করব? টু শব্দ করলে তিনিতো নির্বংশ করে ছাড়েন!

অ’ভিযোগ উঠেছে, ওসি প্রদীপ কুমার দাস হোয়াইক্যং এর আনোয়ার নামের এক ব্যক্তিকে তিন দিন ধরে ট’র্চার সেলে নি’র্যাতন করে হ’ত্যা করেন। প্রতিকার পেতে তার সুন্দরী স্ত্রী এবং বোন কক্সবাজার আ’দালতে আসলে খবর পেয়ে তিনি দুই নারীকে তুলে নিয়ে টানা ৫ দিন গণধ’র্ষণ করিয়ে প্রত্যেককে ইয়াবা দিয়ে চালান দেয়ার অ’ভিযোগ উঠে। তারা বর্তমানে কক্সবাজার জে’লা কা’রাগারে আছেন। যা ত’দন্ত করলে সত্যতা মিলবে। শুধু তাই নয়, ওসি হ্নীলার দুবাই ফেরত এক যুবককে ধরে সকালে এক পা ও এক হাতে গু’লি করে বাড়িতে ফোন করিয়ে নগদ ২২ লাখ টাকা নিয়ে সন্ধ্যায় ক্ষ’তস্থানে ছু’রি দিয়ে আ’ঘাত করে হ’ত্যা করেন বলে অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

শাপলাপুরের জনৈক হাবিব উল্লাহ নামক এক ব্যক্তি। বৃক্ষ প্রেমিক হিসেবে চ্যানেল আই পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। স্থানীয় এক পুলিশ ও এনজিও কর্মকর্তার সাথে বি’রোধের অ’পরাধে ওসির লেলিয়ে দেয়া পুলিশ হাবিবকে আ’টক করে শ’ত্রুদের হাতে তুলে দেন। এরপর শ’ত্রু পক্ষের শহীদ নামের এক খু’নি তাকে নি’র্মম ভাবে হ’ত্যা করলেও ওসি এই মা’মলায় এমন একজনকে আসামী করে দেন, যিনি হ’ত্যাকান্ডের ছয় মাস আগে থেকে জে’লে রয়েছেন। প্রদীপের ক্ষমতার অ’পব্যবহারেে বিনা দোষে মি’থ্যা মা’মলার শি’কার এই হতভাগ্যের নাম ছৈয়দ হোসেন।

বিজিবির সোর্স হাসান আলী মা’দক ও ওসির বি’রুদ্ধে কথা বলায় ক্ষি’প্ত হন প্রদীপ। ফলে হাসান আলীকে তার ফিশিং জাল মেরামত কালে প্রকাশ্যে ধরে নিয়ে পুলিশ তিন দিন আ’টকিয়ে রেখে কথিত ব’ন্দুক যু’দ্ধে নি’হত বলে প্রচার করেন। যা স্থানীয় বিজিবির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জি’জ্ঞাসাবাদ করলে সত্যতা মিলবে। এই ঘটনায় স্বামী হা’রানো স্ত্রী প্র’তিবাদ করায় তার মাথা গোঁজার শেষ ঠিকানা বসতবাড়ী ভেঙ্গে দেয় পুলিশ।

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন থেকে বহুবার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান টেকনাফের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ প্রয়াত মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। মহান মুক্তিযু’দ্ধের সময় এ পরিবার থেকেই অ’স্ত্র দিয়ে প্রথম সহযোগিতার জনশ্রুতি আছে এলাকায়। মা’দক বি’রোধী অ’ভিযানের কথা বলে ওসি প্রদীপ এই পরিবারের একমাত্র স’ন্তান জুনাইদকে ধরতে গিয়ে না পেয়ে তার বাড়ির আসবাবপত্র ভাং’চুর করে প্রায় ৩০/৪০ লাখ টাকা লু’টপাট করেন। অথচ সাবেক উপজে’লা আওয়ামীলীগ সভাপতি জাফর আলমের নিকট আত্মীয় জুনাইদের পরিবার কোন কালেই মা’দকের সাথে সম্পৃক্ত ছিল না। এলাকায় তাদের প্রচুর ধন সম্পদ রয়েছে। পুরো জে’লার মানুষ পরিবারটি চৌধুরী পরিবার হিসেবে চিনেন।

হ্নীলা মৌলভী বাজার এলাকার দুবাই প্রবাসী এক ব্যক্তি প্রদীপের অ’পকর্মের বি’রুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটার্স দেওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তিনি পুলিশ লেলিয়ে দিয়ে তার বাড়ি ভাং’চুর ও লু’টপাট চা’লায়।