ভাই-বোন থেকে প’রকীয়া, অতঃপর…

ভাই-বোন থেকে প’রকীয়া, অতঃপর…

প’রকীয়া প্রেম ও মান-অ’ভিমানের জেরে কী’টনা’শক ওষুধ খেয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করেছে এক প্রেমিক যুগল। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশ মুক্তি খাতুন (২৮) নামে প্রেমিকার মরদেহ উদ্ধার করে।

অপরদিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার প্রেমিক ইসমাইল হোসেনের। মুক্তি খাতুন রায়গঞ্জ উপজেলার নলকা ইউনিয়নের পূর্ব ফরিদপুর গ্রামের সেনাসদস্য সার্জেন্ট মাসুদ রানার স্ত্রী।

তিনি সিরাজগঞ্জ শহরের সমাজকল্যাণ মোড়ে একটি ভাড়াবাসায় বসবাস করতেন। তার প্রেমিক ইসমাইল একই উপজেলার ঘুরকা ইউনিয়নের বাসুদেবকোল গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

সার্জেন্ট মাসুদ রানা বলেন, ইসমাইলের সঙ্গে তার স্ত্রী মুক্তি ধর্ম ভাই-বোন সম্পর্ক পাতিয়েছিলেন। সেটি একপর্যায়ে সবার অজান্তে প’রকীয়ায় রূপ নেয়। মঙ্গলবার তারা দুজনেই গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ির বাইরে থাকে। রাত ১২টার দিকে মুক্তি বাড়ি এসেই বমি শুরু করে এবং জানায় সে কী’টনা’শক ওষুধ (গ্যাস ট্যাবলেট) খেয়েছে।

তাকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেয়।

বগুড়ায় নেওয়ার পথে জানতে পারি ইসমাইলও গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। পরে তাকে রায়গঞ্জের ষোলমাইল এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। যাওয়ার পথেই মুক্তি মারা যায় এবং বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ইসমাইল।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা বলেন, রাতে অ্যাম্বুলেন্সে করে মুক্তির মরদেহ নিয়ে থানায় হাজির হন তার স্বামী সার্জেন্ট মাসুদ রানা। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান বলেন, বাসুদেবকোল গ্রামের ইসমাইল নামে এক যুবক গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করে আ’ত্মহ’ত্যা করেছে। বগুড়ায় ময়না তদন্ত শেষে তার মরদেহ গ্রামে এনে দাফনের প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, প’রকীয়া প্রেম ও মান-অ’ভিমানের জেরেই দুজন আ’ত্মহ’ত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।