‘আমরা পরস্পরের একান্ত আপন’

‘আমরা পরস্পরের একান্ত আপন’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ শনিবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, শ্রদ্ধেয়া শেখ হাসিনাজি, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আপনাকে, আপনার পরিবারকে এবং আপনার মাধ্যমে সব বাংলাদেশিকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ঈদুল আজহা ত্যাগের উৎসব। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতবর্ষে তথা পশ্চিমবঙ্গেও এই দিনটি যথোপযুক্ত মর্যাদা সহকারে পালিত হয়। তিনি বলেন, ভৌগোলিকভাবে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ ভিন্ন হলেও আমরা পরস্পরের একান্ত আপন। দুই বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতি এক হওয়ায় আমরা একে-অপরে বিভিন্ন উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে থাকি। পরিশেষে তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আরো শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন।

আরও পড়ুন: সব উত্তর দিলেন মাহি মাহিয়া মাহি। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এই তারকা চলচ্চিত্রে এন্ট্রি করেই দৃষ্টি কেড়েছিলেন। পুরো নাম শারমিন আকতার নিপা। ২০১২ সালে ভালোবাসার রঙ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মাহীর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত অভিনেত্রীদের একজন। ২০১৯ সালে মাহীকে নিয়ে বই প্রকাশ করেন তার ভক্তরা, বইটির নাম `মাহী দ্য প্রিন্সেস`।

এসবের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনায় থাকেন মাহি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের শোবিজ পাড়ায় ছড়িয়েছিল মাহির সংসার ভাঙার গুঞ্জন। অনেকদিন ধরে স্বামীর কাছ থেকে আলাদা থাকছেন- এমন খবর শোনা যাচ্ছে। নতুন বছরের শুরুতেই সংবাদমাধ্যমে মাহির সংসার ভাঙার কথা ছড়িয়ে পড়ে।

তবে মাহি বলেছিলেন, `সবাই এমন খবর কোথায় পান, আমি ঠিক জানি না। তাদেরকে আমার বিয়ে ভাঙার খবর কে সরবরাহ করে? আমি আর অপু তো ভালোই আছি। এক সঙ্গে সংসার করছি। শুটিং থাকলে ঢাকায় থাকি। ফ্রি থাকলেই সিলেটে যাই শ্বশুর বাড়িতে।`

মাহির অবশ্য সে কথার সত্যতা মিলল আজ ঈদের দিন। এবারের ঈদ মাহি শ্বশুরবাড়িতে `হামিদ ভিলা`য় করছেন। অবশ্য শ্বশুরবাড়ির কথা উল্লেখ করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। তবে ঈদে শ্বশুরবাড়ির সকলের সঙ্গে মিলে মাহি একটি ছবি প্রকাশ করেন। যেখানে শাড়ি পরিহিত মাহিকে স্বামী অপুর পাশে দেবরকে ধরে দাঁড়াতে দেখা যায়। ২০১৬ সালের ২৪ মে মাহমুদ পারভেজ অপুকে ভালোবেসে বিয়ে করেন মাহিয়া মাহি। দুজনের মধ্যে পূর্ব পরিচয় ছিলো। তাছাড়া, উভয় পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে করেন দুজন।