অবশেষে পড়ানো হলো হাতক’ড়া; নেয়া হলো রি’মান্ডেও

অবশেষে পড়ানো হলো হাতক’ড়া; নেয়া হলো রি’মান্ডেও

নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে ওসি প্রদীপসহ প্রধান তিন আ’সামিকে রি’মান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব। এদিকে সিনহার মৃ’ত্যুর মা’মলায় গ্রেফতার দেখানো এপিবিএনের তিন সদস্যকে সাতদিন করে রি’মান্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর থেকে কক্সবাজারে মুষলধারে বৃষ্টি। এর মধ্যেই সকাল ১১ টার দিকে সিনহার মৃ’ত্যুর মা’মলা প্রধান আসামি, গুলি বর্ষণকারী ইন্সপেক্টর লিয়াকত,

টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং পুলিশের দায়ের করা হ’ত্যা মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা নন্দদুলাল রক্ষিতকে রি’মান্ডে নিতে কারাগারে ঢোকে র‌্যাবের গাড়ি বহর। আধা ঘণ্টা পর তিন আ’সামিকে নিয়ে গাড়িবহর র‌্যাব কার্যালয়ে চলে যায়। রি’মান্ডের অনুমতি পাওয়ার ১২ দিন পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হলো।

গত ৩১ জুলাই রাতে শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করছিলেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন- এপিবিএনের এএসআই শাহজাহান, কনস্টেবল রাজিব ও আব্দুল্লাহ। সোমবার জিজ্ঞাসাবাদ করার পর এই তিনজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

জানা গেছে, ইন্সপেক্টর লিয়াকত সিনহা রাশেদকে এপিবিএনের চেকপোস্টে আ’টকাতে এএস আই শাজাহানকে মোবাইলে ফোন করেন। মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম জানিয়েছেন, এপিবিএন চেকপোস্টেই সিনহাকে আটকাতে মোবাইলে ফোন করেছিলেন লিয়াকত।

মঙ্গলবার এপিবিএনের তিন সদস্যকে আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে ১০ দিন করে রি’মান্ডে নেয়ার আবেদন করে র‌্যাব। আদালত সাত দিন করে রি’মান্ড মঞ্জুর করেন। সিনহা হ’ত্যা মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, আমরা ১০ দিনের রি’মান্ড চেয়েছিলাম।

তবে আদালত ৭ দিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেছেন। আমরা আমাদের সুযোগমত নিব। এই তিনজনকে গ্রে’প্তার দেখানোর মধ্য দিয়ে সিনহা হ’ত্যা মা’মলায় মোট আ’সামির সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ জনে।