অ’ন্তঃসত্ত্বা কি’শোরী, কথিত স্বামীর অ’স্বীকার, অ’নাগত সন্তানের বাবা কে?

অ’ন্তঃসত্ত্বা কি’শোরী, কথিত স্বামীর অ’স্বীকার, অ’নাগত সন্তানের বাবা কে?

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের সান্দ্রা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে ১৪ বছর বয়সের কি’শোরী রাজিয়া। এ বয়সেই সে নয় মাসের অ’ন্তঃসত্ত্বা।

তবে এখানে প্রশ্ন উঠছে গর্ভবতী এই কি’শোরীর সন্তানের বাবা কে? স্বীকার করছে না ওই মেয়েটির কথিত স্বামী। প্র’তারণা, অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ ও পিতৃপরিচয় কি হবে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন কিশোরী। তার দরিদ্র পরিবার অনেকটাই দি’শেহারা।

জানা যায়, এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে ও বারুহাস মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রী ভু’ক্তভো’গী কিশোরী। তার বয়স সবে ১৪। একই গ্রামের ফোরকান আলীর ছেলে ও দিঘরিয়া মাদ্রাসার ছাত্র জুবায়ের আহমেদের (১৭) সাথে প্রে’মের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার।

প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় গোপনে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক কলেমা পড়ে বিয়ে করে। মেয়ের দাবি, অ’প্রাপ্ত বয়স হওয়ায় তারা কাবিন তথা বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে পারেনি।

পরিবারের কাউকে না জানিয়ে গোপনে বিয়ে করার পর দৈহিক মেলামে’শায় রাজিয়ার গর্ভে সন্তান আসলে উভয় পরিবারে বিষয়টি জানাজানি হয়। ঘটনাটি প্র’কাশ হলে জুবায়ের আহমেদের বাবা ফোরকান আলী বিষয়টি ধা’মাচা’প দেওয়ার চে’ষ্টা করেন।

কাবিন না থাকায় তারা সন্তান নষ্ট করার জন্য বার বার চাপ দিলেও কিশোরী তাতে রাজি হয়নি। জুবায়েরের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় নিরুপায় হতদরিদ্র রাজিয়ার বাবা সমাজে বিচার না পেয়ে আ’দালতে মাম’লা দায়ের করেন। মামলা নং -জি আর ৮৯/২০ তাং ২৮-০৭-২০২০ ইং। মা’মলার পর আ’সামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় হ’তাশায় ভুগছে কিশোরীর পরিবার।

অপরদিকে কিশোরীকে ‘অ’সতী ’ আখ্যা দিয়ে জুবায়েরের পরিবারের প্র’ভাবে গ্রামের মাতব্বররা তাদের একঘরে করে রেখেছে। তাদেরকে সামাজিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেয়া হচ্ছে না, এমনকি কোরবানীর মাংসও তাদের দেয়া হয়নি এমন অ’ভিয়োগ পাওয়া গেছে। যার ফলে দু’র্বিষহ জীবনযাপন করছেন তারা। বর্তমানে নয় মাসের সন্তান গর্ভে নিয়ে কিশোরী দুশ্চিন্তায় অ’বরুদ্ধ জীবনযাপন করছে।

সাংবাদিকদের রাজিয়া জানায়, আমার গর্ভে সন্তানের জন্য আমি আ’ত্মহ’ত্যাও করতে পারছি না, তা না হলে এতদিন কবে আ’ত্মহ’ত্যা করতাম।

এদিকে অ’ভিযুক্ত জুবায়ের আহম্মেদ পলাতক থাকায় অনেক চে’ষ্টার পরও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে তার বাবা ফোরকান আলী মুঠোফোনে বলেন, যে মা’মলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ষ’ড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁ’সানোর জন্য আমাদেরকে জ’ড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, কোর্টে মা’মলা হয়েছে। কোর্টেই মো’কাবেলা করবো।

এ প্রসঙ্গে বারুহাস ইউপি চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন মুক্তা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি সবেমাত্র জেনেছি। তবে ঘটনাটি ন্যা’ক্কারজক বটে। আমি চাই অপ’রাধীকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।

এ বিষয়ে মা’মলার তদন্তকারী অফিসার তাড়াশ থানার এসআই ফরিদ হোসেন বলেন, মা’মলার তদন্ত চলছে। আ’সামি গ্রেপ্তারের চে’ষ্টা অ’ব্যাহত আছে।