হঠাৎ ভারতের আগ্রাসী প্র’তিরোধের ডাক !

ভারতের আগ্রা’সী এবং তী’ব্র প্র’তিরো’ধের কারণে লাদাখের উত্তরবর্তী অঞ্চলে প্রবেশের চেষ্টা চালানো চীন এখন হ’তবা’ক। বিশেষত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্ব ভারতের তাৎপর্যপূর্ণ প্রতি’ক্রিয়ায় পিছু হ’টেছে চীন।

লেহের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভারতীয় সেনাদের মনো’বল বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অবা’ক করা সফর হ’জম করতে পারছে না চীন। একারণেই চীনের সরকারি প্রতি’ক্রিয়াও হা’রিয়ে গেছে হঠাৎ করেই। সুরও হয়েছে নরম।

করোনা মহামা’রি পরবর্তী বিশ্বে চীনে বৈশ্বিক আ’ধিপ’ত্য বিস্তা’রের পরিক’ল্পনার বিরু’দ্ধে মোদির হুঁশি’য়ারি বার্তাতেও থ’মকে গেছে চীন। চীনের নাম না নিয়েই মোদি সেখানে বলেছেন, সম্প্রসারণবাদের যুগ শেষ, এটি উন্নয়নের যুগ।

ইতিহাস জানে যে প্রসারণবাদী শ’ক্তিগুলো হে’রে গেছে বা ফিরে যেতে বা’ধ্য হয়েছিল। মোদী সেখানেই থামেনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, ”দু’র্ব’লরা কখনই শান্তি অর্জন করতে পারে না, সাহ’সীরা তা করতে পারে।”

সম্প্রসারণবাদের উল্লেখটি মোদীর কৌশলগত আঘাত। তিনি সম্প্রসারণবাদ বলতে শুরু লাদাখের ভারতীয় অংশে চীনের অননুমোদিত প্রবেশের কথাই বলেননি।

বরং সীমান্ত ভা’গাভা’গি করা সকল প্রতিবেশির সঙ্গে চীনের বিরো’ধকে ই’ঙ্গি’ত করেছেন। এক বাক্যে বলতে গেলে, সীমান্ত বিরো’ধ ইস্যুতে হ’য়রা’নির শি’কা’র হওয়ার ২১টি পক্ষকে সাথে নিয়ে চীনকে একঘরে করতে চায় ভারত।

মোদির এই আ’গ্রা’সী সফরের পর সারাদিনই চু’পচা’প ছিল চীন। এমনকি পরিচিত চীনা সমর্থকদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলেও চু’প হয়ে যায়। পরে একটি অবা’স্তব বিবৃতি দেয়া হয় চীনের পক্ষ থেকে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ানকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ”ভারত ও চীন সামরিক ও কূটনৈ’তিক চ্যানেলগুলির মাধ্যমে উত্তে’জনা কমাতে যোগাযোগ ও আলোচনা করছে। কোনও পক্ষই এই পরি’স্থিতিতে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এমন কোনও প’দক্ষেপে অংশ নেওয়া উচিত নয়।”

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই ২০ ভারতীয় সেনা নিহ’ত হওয়ার একদিন পর চীন যা বলেছিল, তার তুলনায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মূখপাত্রের এবারের বক্তব্য পিছু হ’টারই সামিল। সেদিন পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) এর মুখপাত্র জাং শিউলি দাবি করেছিলেন, “গ্যালভান উপত্যকা অঞ্চলটি সবসময়ই চীনের সার্বভৌমত্বের অংশ।” সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস