ভারতের পরমাণু রাডারের নতুন লক্ষ্য ।

ভারতের পরমাণু রাডারের নতুন লক্ষ্য ।

চীনের সঙ্গে ট’ক্কর দিতে সব দিকে থেকেই প্রস্তুত রেখেছে ভারত। আবার আলোচনার জন্যও রাস্তা খোলা রেখে ভারত। চীনের সঙ্গে যে কোন সময় সং’ঘাতের জন্য তৈরি দেশটি। সাম্প্রতিক সময়ে পরমাণু শক্তিধর দেশ ভারত নিজেদের প’রমাণু নীতির অভিমুখও বদল করেছে।

পাকিস্তান নয়, এখন নয়াদিল্লির প’রমাণুর নীতির মূল লক্ষ্য চীনকে ভয় দেখানো।রিপোর্ট বলছে, ভারতের প’রমাণু অ’স্ত্রগু’লির রা’ডারে চলে এসেছে চীন। ২০১৭ সালের ডোকলাম পর্বের পর থেকেই এই রা’ডারের অভিমুখ বদল হয়েছে।

ভুটান সীমান্তে সং’ঘাতের পর থেকেই চরম সতর্কতা জারি করা হয় ভারতের সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর মধ্যে। প’রমাণু বিশেষজ্ঞ হ্যানস এম ক্রিস্টেনসেন ও ম্যাট কোর্ডা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন গত ২০ জুলাই। যেখানে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।

তারা ওই প্রতিবেদনে জানান, এতদিন পাকিস্তানের সঙ্গে সং’ঘাতের জেরে নয়াদিল্লির প’রমাণু নি’শানার মূলে ছিল ইসলামাবাদ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শ’ত্রু বদলেছে। এবার তালিকার নতুন সংযোজন চীন। ভারতের নতুন অ’গ্নি মি’সাইলের যা রেঞ্জ, তা চীনকে লক্ষ্য রেখেই তৈরি করা বলে মনে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পরবর্তী দশকে চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ফলশ্রুতিই মি’সাইলের অ’ভিমুখ নির্ধারণ করবে। এছাড়াও চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের ভিত তৈরি করবে চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের সখ্যতার গভীরতা। ফলে চীন ও পাকিস্তান দুই দেশই ভারতের কাছে একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ।

তবে রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। সবদিক বিবেচনা করেই এগোতে চাইছে ভারত। তাই আলোচনার রাস্তাও খোলা রেখেছে। ফলে দীর্ঘকাল ধরে যে নীতিতে চলছে নয়াদিল্লি, সেই রাস্তাতেই প্রথমে হাঁটতে চাইছে তারা। দীর্ঘকাল ধরে ভারতের নীতি নো ফার্স্ট ইউজ পলিসি। অর্থাৎ প্রথমেই কোনও চরম পদক্ষেপ ভারত নেবে না। তবে কেউ আঘাত করলে, সেই উত্তর দেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা রাখবে ভারত।