পদ্মাসেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ভয়াবহ ভাঙন!

পদ্মাসেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ভয়াবহ ভাঙন!

মুন্সীগঞ্জের পদ্মাসেতুর কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে ভা’ঙন দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুর ৩৫টি রোডওয়ে স্ল্যাব, ১৫টি রেলওয়ে গাডার ও ১০টি সাপোর্ট পাইপসহ বেশকিছু যন্ত্রপাতি বিলীন হয়ে গেছে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে মুহূর্তেই প্রায় ২০০ ফুট প্রতিরক্ষা প্রাচীর পদ্মায় হারিয়ে যায়।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানি ও সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এসব সম্পদ রক্ষায় জরুরিভাবে ক্রেন এনে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সম্ভব হয়নি। ভাঙনের তীব্রতা এতই বেশি যে ক্রেনগুলোও উল্টো পদ্মায় বিলীন হওয়ার আ’শঙ্কা দেখা দিলে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়।

চোখের সামনেই একের পর বিলীন হচ্ছে ইয়ার্ডের সংরক্ষিত পদ্মাসেতুর মূলবান উপকরণ। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের সময় সংবাদকে জানান, পদ্মার স্রোতের তীব্রতা এত বেশী যে এই অবস্থায় কিছু করা যাচ্ছে না। ইয়ার্ডের পূর্ব দিক্ষণ অংশে চলছে এই ভা’ঙন।

আরো পড়ুন:- পাটুরিয়া ঘাটে মানুষের ঢল: দৌলতদিয়া ঘাটে ঘর মুখি যাত্রীদের চাপ না থাকলেও পাটুরিয়া লঞ্চ ও ফেরি ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ রয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফেরিতে উঠতে পারছেনা যাত্রীরা। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ঘর মুখি সাধারণ মানুষের। এদিকে দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা যায়, যাত্রীদের উল্লেখ যোগ্য চাপ নেই।

ফেরি পার হয়ে এসে সহজেই গন্তব্য স্থানে যেতে পারছে যাত্রীরা। তবে রাস্তায় গনপরিবহনের চেয়ে মটরসাইকেল আরোহী বেশি রয়েছে। বিআইডাব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারি ব্যবস্থাপক মাহাবুবুর রহমান জানান, স্রোতের কারনে ফেরিগুলো একটু সময় বেশি লাগছে। তবে যানবাহন পারাপারে কোন প্রকার সমস্যা হচ্ছে না। তিনি আরো জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমান ১৫টি ছোট-বড় ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।