উপনির্বাচন পেছালে ফাঁসিও হতে পারে: ইসি সচিব

উপনির্বাচন পেছালে ফাঁসিও হতে পারে: ইসি সচিব

মহামারি করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে তফসিল ঘোষিত বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) ও যশোর-৬ (কেশবপুর) পেছানোর ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন,

আসনের উপনির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বিএনপি এ উপনির্বাচন পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু তারা এ কথা খুব ভালো করেই জানেন যে, নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

কেননা এখন নির্বাচন পেছালে সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে ইসি সচিব সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো আসন শূন্য হলে তার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন করতে হয়। দৈবদুর্বিপাকের কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আরও নব্বই দিন সময় নিতে পারেন। সেই সময়ও পার হয়ে গেলে সুপ্রিমকোর্ট থেকে ব্যাখ্যা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে ভোট না করলে রাষ্ট্রের যে কোনো ব্যক্তি সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে মামলা করতে পারেন। আর সংবিধান লঙ্ঘনের শাস্তি খুব মারাত্মক। মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। কাজেই এ দায়িত্ব আইন মন্ত্রণালয়ও নেবে না, কমিশনও নেবে ও কেউ নেবে না।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে বিএনপির উপনির্বাচনের তারিখ পুনঃবিবেচনার দাবিটি ইসি সচিবের কাছে তুলে ধরেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।