শাকিব খানের বি’রুদ্ধে মা’মলা!

অনুমতি ছাড়া গান ব্যবহার করায় চিত্রনায়ক শাকিব খানের বি’রুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মা’মলা দায়ের করা হয়েছে। দায়ের করেছেন বর্ষীয়ান কণ্ঠশিল্পী দিলরুবা খান।

নব্বই দশকের সাড়া জাগানো গান ‘পাগল মন মনরে মন কেন এত কথা বলে’। আহমেদ কায়সারের লেখা গানটিতে সুর করেন আশরাফ উদাস। এতে কণ্ঠ দেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান।

তুমুল জনপ্রিয় গানটি বিনা অনুমতিতে রিমেক করে শাকিব খান প্রযোজিত ‘পাসওয়ার্ড’ সিনেমায় ব্যবহারের অ’ভিযোগ ওঠেছে।অ’ভিযোগে বলা হয়েছে, শিল্পী দিলরুবা খানের অনুমতি না নিয়ে

‘পাগল মন’ গান রিমেক করে সিনেমায় ব্যবহার করেছেন শাকিব খান। রবিবার (২৮ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিটে ক্ষ’তিপূরণ ও আইনি ব্যবস্থার দাবি করে এ মা’মলা দিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে দিলরুবা খান বলেন, অনুমতি ছাড়াই সিনেমায় আমাদের মিউজিক ও গানের কিছু অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। এরপর এটি মোবাইল অপারেটর রবি কাছে বিক্রি করা হয়েছে।

সিনেমার প্রযোজক হিসেবে শাকিব খান এটি অন্যায় করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিল্পীদের বুড়ো বয়সে ভিক্ষা করতে হয়। তাদের অধিকার সঠিকভাবে দিলে আর শেষ বয়সে ভিক্ষা করতে হতো না। এই গানের গীতিকার, সুরকার ও আমি মিলে এই অ’ভিযোগ করেছি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের আইনজীবী আইনিভাবে লড়বেন।

আরো পড়ুন: বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ধ করল ইউরোপ! করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের সী’মানা খুলে দিচ্ছে। এর ফলে চালু হতে যাচ্ছে মহাদেশটির সেনজেন এলাকার দেশগুলোতে বিমান চলাচল। জুলাইয়ের শুরুতে ইইউ দেশগুলোর সী’মানা উ’ন্মুক্ত হচ্ছে।

এরই প্রে’ক্ষিতে সেনজেনভুক্ত দেশগুলো ৫৪টি দেশের নাম প্রকাশ করেছে যারা ভিসা পাবে। তবে সেনজেনভুক্ত দেশের ভিসা তালিকায় নেই বাংলাদেশ। যদিও সেখানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের নাম।

ভ্র’মণ করতে পারবেন ভুটানের নাগরিকেরাও। তালিকাটিতে বাংলাদেশের মতো নাই পাকিস্তান ও নেপালের নামও। তবে ম’হামা’রী পরিস্থিতি এবং প্রত্যেক দেশে করোনাভাইরাস নিয়ে তাদের ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এই তালিকা হা’লনাগাদ করা হবে বলে জানান ইইউ কর্মকর্তারা।

মানুষের যাতায়াত সহজ করার লক্ষ্যে ইউরোপীয় দেশগুলোকে একীভূত করে এই সেনজেন অঞ্চলের সৃষ্টি হয়। ১৯৮৫ সালে লুক্সেমবার্গের সেনজেন শহরে একটি চুক্তি সাক্ষর করে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ। বলা যায় সেই চু’ক্তির ধারাবাহিকতাতেই সৃষ্টি হয়েছে সেনজেন এলাকা এবং সেনজেন ভিসা।

অস্ট্রিয়া, আইসল্যান্ড, ইতালি, এস্তোনিয়া, গ্রিস, চেক রিপাবলিক, জার্মানি, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়াম, মাল্টা, লুক্সেমবার্গ, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, স্পেন, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, হাঙ্গেরি -এই দেশগুলো সেনজেন দেশ। সেনজেন ভিসা দিয়ে সবগুলো দেশ ঘুরে আসা যায়। দেশগুলোর মধ্যে কোনো সীমানা নিয়ন্ত্রণও নেই।