ফের দেশে ভয়াবহ বন্যা, মানুষকে নেওয়া হচ্ছে আশ্রয় কেন্দ্রে!

কক্সবাজারে কয়েকদিনের টানা ভারি ব’র্ষণে পাহাড় ধসের আ’শঙ্কায় ঝূঁ’কিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া ঝূঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরে যেতে প্রশা’সনের উদ্যোগে চলছে মা’ইকিংসহ প্রচার-প্রচারণা।

এসব লোকজনের অবস্থানের জন্য জেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার (১৮জুন) বেলা ১টার দিকে জেলা প্রশাসন এ নির্দেশনা দিয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ২ দিন ধরে কক্সবাজার টানা ভারি বৃ’ষ্টিপাত অ’ব্যা’হত রয়েছে। এর ফলে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দিয়েছে।

এতে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানের সরিয়ে নিতে প্রশাসন উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, পুলিশ ও আনসারসহ স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে গঠিত ২০টি দল গঠন করা হয়েছে।

উ’দ্ধারকারী দল ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়ার কাজ অব্যাহত রেখেছে। টানা বর্ষণে বাঁকখালী নদী, মাতামুহুরী নদী এবং সমুদ্রের বাঁধ ভেঙে কমপক্ষে ২০টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এসব এলাকার মানুষদের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে দুপুরে কক্সবাজার পৌরসভার লাইট হাউজ এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাসুদুর রহমান মোল্লার নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি দল।

এসময় প্রশাসনের দলটি পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারী ৪টি পরিবারকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দিয়েছেন। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত গত ৩০ ঘণ্টায় ৩০৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সেই সাথে উত্তর বঙ্গোপসাগরে গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা সৃষ্টির কারণে আরো কয়েকদিন কক্সবাজারে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।