প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করা পরিচালকের নতুন অ’ভিযোগ!

কেন্দ্রীয় ঔষধাগার সিএমএসডির সদ্যবিদায়ী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদউল্লাহ এবার নতুন অভিযোগ তুললেন। তিনি দাবি করেছেন যে, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় স্বাস্থ্য সামগ্রী ও

যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের স্বার্থ বাস্তবায়ন না করার কারণে সরে যেতে হয়েছে তাকে। গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন যে, এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের ক্ষেত্রে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জেএমআই

গ্রুপের কাছে ব্যাখ্যা না চেয়ে একপাক্ষিকভাবে সিএমএসডির ওপর দোষ চাপানো হয়েছে। সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষা না করায় সিএমএসডি থেকে তাকে সরানো হয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদউল্লাহ বলেন, মাস্ক কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পরপরই জেএমআইকে চিঠি দিয়ে জানতে চান, তারা কেন এ ধরনের নকল মাস্ক সরবরাহ করেছে? প্রতিষ্ঠানটি তখন ভুল স্বীকার করে। ফলে এর দায় সম্পূর্ণ ওই প্রতিষ্ঠানের (জেএমআই) ওপর বর্তায়।

তিনি বলেন, যখন এ বিষয়টি আমাদের নজরে আসে হাসপাতাল থেকে আমরা সঙ্গে সঙ্গে জিনিসটি (এন-৯৫ মাস্ক) সরিয়ে নেই। একই সঙ্গে বিষয়টি জানিয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেই। জেএমআইয়ের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্যও অনুরোধ করি। কিন্তু তা না করে উল্টো আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলো।

প্রসঙ্গত যে, গত মার্চ মাসে বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ শনাক্ত হওয়ার পরে চিকিৎসকদের নিম্নমানের সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহের অভিযোগ আসে সিএমএসডির বিরুদ্ধে। এক পর্যায়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।

তারপর থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদউল্লাহ কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে অন্তত তিনদিন বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে চান। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তিনি চ্যালেঞ্জ করতে যান। তখন তিনি এমনটাও বলেছিলেন যে মাস্ক সরবরাহে কোনো অনিয়ম হয়নি। জেএমআই এর পক্ষে সাফাই গাইতেও শোনা গেছে তাকে। অথচ এখন তিনি নিজেই উল্টো কথা বলছেন।