করোনা প্রবেশ করতে পারেনি ১২ দেশে

গত বছরের ডিসেম্বরে প্রথম করোনাভাইরাসে মানবদেহে শনাক্ত হয়। এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চল করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিনিয়তই লম্বা হচ্ছে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর তালিকা।

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যখন হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলো, তখন করোনামুক্ত জীবন কাটাচ্ছেন ১২টি দেশের মানুষ। যদিও কয়েকটি দেশ থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট নিয়ে সন্দেহ রয়েছে বিশেষজ্ঞদের।

কাতারের সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা দেশগুলোর নাম জানিয়েছে—

১. কিরিবাতি ২. মার্শাল আইল্যান্ড ৩. মাইক্রোনেসিয়া ৪. নাউরু ৫. উত্তর কোরিয়া ৬. পালাউ

৭. সামোয়া ৮. সলোমান আইল্যান্ড ৯. টেঙ্গো ১০. তুর্কমেনিস্তান এবং ১১. ট্যুভালু ১২. ভানুয়াতু।

আরো পড়ুন:তাহলে সমাধান হয়ে গেল ভারত চীনের মধ্যে ?

অবশেষে পূর্ব লাদাখের বেশ কিছু এলাকা থেকে পিছু হটলো ভারত ও চীনের সেনা সদস্যরা।গত মাসে গলওয়ান উপত্যকা, প্যাংগং তটসহ একাধিক এলাকায় সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছিল ভারত ও চীন।

উত্তর সিকিম থেকে পূর্ব লাদাখের মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় চীনা বাহিনীর বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘনের অভিযোগ করে ভারত। ওই সব এলাকায় দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছিল।

এরপরই দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে বিরোধ নিরসনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এই সীমান্ত সমস্যা নিয়ে শনিবার চীন ও ভারতের সেনাবাহিনীর কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হয়। বুধবার লাদাখে দুই দেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে আবারো বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গলওয়ান উপত্যকাসহ যেসব এলাকায় সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার প্রায় সব ক’টি থেকে সেনা সদস্যদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

ভারত ও চীনের সেনা সদস্যরা ওই এলাকাগুলো থেকে ৩-৪ কিলোমিটার করে পিছিয়ে গিয়েছে। বুধবারের বৈঠক যাতে উপযুক্ত পরিবেশে হতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই সেনাদের পিছিয়ে নেয় দুই দেশ।

সূত্র: এনডিটিভি।