করোনার ‘সেকেন্ড ওয়েভ’ আসছে যেসব দেশে

করো’না ভাই’রাসের (কো’ভিড-১৯) আগে স্প্যানিশ ফ্লুসহ যতগুলো ম’হামা’রি এসেছিল, সবগুলোই প্রথম দফায় তা’ণ্ডব চালাবার পর দ্বিতীয় দফায় আরও প্র’কট হয়েছিল। এবার করো’নার ক্ষেত্রেও দ্বিতীয় দফার সং’ক্রম’ণ ঘটতে দেখা গেছে।

তবে দ্বিতীয় দফার সং’ক্রম’ণ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা এখনো পুরোপুরি একমত হতে পারেননি। কিন্তু বেশ কয়েকটি দেশ ভাই’রাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনার পরেও আবার সং’ক্রম’ণ বৃদ্ধির ঘটনা দেখতে পেয়েছে।

ইরান: ইরানে সং’ক্রম’ণ একেবারে কমে আসার পরেও এখন প্রতিদিন আবার ৩ হাজার করে রোগী শনা’ক্ত হচ্ছে। দেশটিতে প্রতিদিন একশ জনের বেশি মানুষের মৃ’ত্যু হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র:যুক্তরাষ্ট্রে জুনের শুরু থেকে করো’না রোগী কমতে শুরু করেছিল। কিন্তু এখন আবার সেটা বাড়ছে। দৈনিক সং’ক্রম’ণে আগের রেকর্ড ছাপিয়ে যাওয়ার ধারাবাহিকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগে বুধবার আ’ক্রা’ন্ত হিসেবে শনা’ক্তের সংখ্যা ছিল ৩৬ হাজার ৮৮০, বৃহস্পতিবার আরও ৪০ হাজার জনের সং’ক্রম’ণ ধরা পড়ে। শুক্রবার আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে তা ছিল ৪৫ হাজার ২৪২ জন। শনিবার অর্থাৎ গত ২৪ ঘন্টায়ও শনা’ক্ত হয়েছে ৪৩ হাজারের বেশি মানুষ।

চীন: চীনের বেইজিংয়ের পাইকারি মার্কেট থেকে ছোট আকারে সং’ক্রম’ণ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। চীনে এখন সেভাবে মৃ’ত্যু না থাকলেও প্রতিদিনই ২০ ৩০ জনের মতো মানুষ করো’না আ’ক্রা’ন্ত হিসেবে শনা’ক্ত হচ্ছে। যেকোনো সময় এই প’রিস্থি’তি আবারও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই, তারা প’রিস্থি’তি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

ইসরায়েল: করো’নার শুরুতে ইসরায়েলে আ’ক্রা’ন্ত ও মৃ’ত্যু মোটামুটিভাবে বাড়ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তারা এটা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। কিন্তু এখন আবার সেখানে করো’না মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। প্রতিদিন ৬০০ এর মতো মানুষ করো’না আ’ক্রা’ন্ত হিসেবে শনা’ক্ত হচ্ছে। মৃ’ত্যুও বাড়ছে। এজন্য সেকেন্ড ওয়েভের আভাস পাচ্ছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।