স্বা’মীকে জা’মিন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে স্ত্রীকে মেম্বারের ধ’র্ষণ !

স্বা’মীকে জা’মিন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে স্ত্রীকে মেম্বারের ধ’র্ষণ !

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় কা’রাগারে থাকা স্বা’মীকে জা’মিনে বের করার আশ্বাসে এক ই’উপি স’দস্যের (মেম্বার) নে’তৃত্বে গৃ’হবধূকে গণধ’র্ষণের ঘ’টনা ঘ’টেছে। এ ঘ’টনায় ই’উপি স’দস্য ভোলা মিয়াসহ ছয়জনের বি’রুদ্ধে থানায় মা’মলা করেছেন গণধ’র্ষণের শি ‘কার গৃ’হবধূ। মা’মলার পর ই’উপি স’দস্য নজরুল ইসলাম ওরফে ভোলা মিয়াকে গ্রে’ফতার করে মঙ্গলবার (০৫ মে) দুপুরে আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে।

ভোলা মিয়া মুরাদনগর স’দর ই’উনিয়নের ৯ নম্বর ও’য়ার্ডের স’দস্য ও ডুমুরিয়া গ্রামের মৃ’ত জায়েদ প্রধানের ছে’লে। মা’মলার অপর আ’সামিরা হলেন মুরাদনগর উপজে’লার স’দর ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের ছাফর আলী প্রধানের ছে’লে মোশারফ হোসেন, জসিম মিয়ার ছে’লে রিয়াজ মিয়া, শাহিনের ছে’লে জালাল মিয়া, হাশেম মিয়ার ছে’লে জীবন মিয়া ও মৃ’ত বেয়ারি মিয়ার ছে’লে রেনু মিয়া।

পুলিশ ও মা’মলার এজাহার থেকে জানা যায়, গণধ’র্ষণের শি’কার গৃ’হবধূর স্বা’মী ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বর একটি মি’থ্যা মা’মলায় গ্রে’ফতার হয়ে জে’লে যান। ওই গৃ’হবধূ স্বা’মীর জা’মিনের জন্য একই গ্রামের ই’উপি স’দস্য নজরুল ইসলাম ভোলার কাছে সহযোগিতা চান। কাজের অজুহাত দেখিয়ে গৃ’হবধূকে রাতে বাসায় আসার কথা বলেন ভোলা মিয়া।

গত বছরের ২১ নভেম্বর রাতে ই’উপি স’দস্য নজরুল ইসলাম ভোলা ওই না’রীর স্বা’মীকে জা’মিন করিয়ে দেয়ার আশ্বাসে ধ’র্ষণ করেন। এ ঘ’টনা কারও কাছে প্র’কাশ না করতে গৃ’হবধূকে বিভিন্ন প্রকার ভ’য়ভীতি দেখান ভোলা। এ ঘটনার ১৪ দিনের মা’থায় মা’মলার দ্বিতীয় আ’সামি ই’উপি স’দস্য ভোলার সহযোগী মোশারফ হোসেন একই কা’য়দায় ওই গৃ’হবধূকে ধ’র্ষণ করেন। এরপর দিন তৃতীয় আ’সামি, পরদিন ৪র্থ আ’সামি, তারও একদিনের মা’থায় পঞ্চম আ’সামি ও সাতদিনের মাথায় ৬ষ্ঠ আ’সামি গৃ’হবধূকে ধ’র্ষণ করেন। সম্প্রতি জে’ল থেকে ছাড়া পেয়ে স্বা’মী বাড়ি গেলে সবকিছু খুলে বলেন ওই গৃ’হবধূ।

গৃ’হবধূর স্বা’মী বলেন, আমি জে’লে থাকা অবস্থায় আমাকে ছা’ড়িয়ে আনতে সব রকমের সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়ে ভোলা মেম্বার স্ত্রী’কে ধ’র্ষণ করেন। মে’ম্বারের ঘটনাটিকে পুঁজি করে তার আরও পাঁচ সহযোগী আমার স্ত্রী’কে ধ’র্ষণ করলে অ’ন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। আমি জে’ল থেকে ছা’ড়া পেয়ে বাড়ি এসে স্ত্রী’র কাছ থেকে এসব ঘটনা জানতে পারি। এ বি’ষয়ে মেম্বারের সঙ্গে কথা বললে বি’ষয়টি ধা.মাচা’পা দিতে বলেন। অ’ন্যথায় আমাদের গ্রামছাড়া করবেন বলে হু’মকি দেন। এ ঘটনায় সোমবার থানায় মা’মলা করেছেন আমার স্ত্রী। পরে মা’মলার প্রধান আ’সামি ই’উপি স’দস্য ভোলাকে গ্রে’ফতার করে পুলিশ।

মুরাদনগর থানা পুলিশের ওসি একেএম মনজুর আলম বলেন, গণধ’র্ষণের ঘ’টনায় ছয়জনের বি’রুদ্ধে থানায় মা’মলা করেছেন গৃ’হবধূ। মা’মলার প্রধান আ’সামি ই’উপি স’দস্য নজরুল ইসলাম ওরফে ভোলা মিয়াকে গ্রে’ফতার করে মঙ্গলবার আ’দালতের মাধ্যমে কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জ’ড়িত অপর আ’সামিদের গ্রে’ফতার করতে অ’ভিযান অব্যাহত রয়েছে।