মহামা’রীর মধ্য যু’দ্ধ উত্তে’জনা, রাশিয়ায় ঢুকে পড়েছে ৪ মার্কিন যু’দ্ধজাহাজ!

মহামা’রীর মধ্য যু’দ্ধ উত্তে’জনা, রাশিয়ায় ঢুকে পড়েছে ৪ মার্কিন যু’দ্ধজাহাজ!

করোনার ক্রা’ন্তিকালেও যুদ্ধ উত্তে’জনা। রুশ-মার্কিন সম্পর্কটা একদমই ভালো যাচ্ছে না। তার মধ্যে রাশিয়ার সমুদ্রসীমায় প্রবেশ করল একের পর এক মার্কিন নৌবাহিনীর যু’দ্ধজাহাজ। কোল্ড ওয়ারের পর এই প্রথম রাশিয়ার ব্যারেন্টস সি’তে দেখা গেল যুক্তরাষ্ট্রের যু’দ্ধজাহাজ। এ নিয়ে উত্ত’প্ত হয়ে উঠেছে সেখানকার পরি’স্থিতি।

সোমবার (৪ মে) মার্কিন নেভির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ওই অভিযানে রয়্যাল নেভির এইচএমএস কেন্টের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযানে রয়েছে মার্কিন নেভির তিনটি ডেসট্রয়ার। ১৯৮০ সালের পর থেকে মার্কিন নৌবাহিনী ওই অঞ্চলে জাহাজ নিয়ে যায়নি। সম’স্যা এড়াতে অবশ্য বিষয়ে আগেই রাশিয়াকে জানিয়ে দিয়েছিল আমেরিকা।

১ মে রুশ প্রতির’ক্ষা মন্ত্রণালয়কে এই বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। রাশিয়ার নর্দান ফ্লিট ওই নৌবাহিনীকে ট্র্যাক করছে। রাশিয়া যেহেতু আর্কটিকে বিশাল সামরিক বাহিনী সাজাচ্ছে, সেই খবর পেয়েই মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যারেন্টস সি-তে রয়েছে প্রচুর হাইড্রো কার্বন।

ফলে, ওই অঞ্চল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার অধিকারেই রয়েছে ওই সমুদ্রসীমা। ব্যারেন্টস সাগরে অভিযা’নে অংশ নিয়েছে ইউএসএস ডোনাল্ড কুক, ইউএসএস পোর্টার, ইউএসএস রুজভেল্ট। সোমবার সকালে রুশ সমুদ্রে প্রবেশ করে ওই মার্কিন র’ণতরী গুলো। গত ১৫ এপ্রিল একটি রাশিয়ান জেট মার্কিন সার্ভিলিয়েন্স প্লেনের ২৫ ফুটের মধ্যে দিয়ে উড়ে যায়। যা বি’প’জ্জনক বলে দাবি করা হয়।

মার্কিন নেভির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার ক্রেমলিন সু-৩৫ যু’দ্ধবিমান তাড়া করে মার্কিন ইউএস পি-৮এ এয়ারক্রাফটকে। ৪২ মিনিট ধ’রে চলে সেই আকাশ-যু’দ্ধ। এরপর ২৬ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বিমানবাহী র’ণতরীর একেবারে কাছ দিয়েই উড়ে যায় রাশিয়ার যু’দ্ধবিমান। সেখানে ছুটে যায় দুটি মার্কিন ফাই’টার জেটও। সূত্র: এনবিসি নিউজ।