ভারতের চেয়ে ৯ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ!

ভারতের চেয়ে ৯ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ!

করোনা সংকটকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে উদীয়মান শক্তিশালী অর্থনীতির দেশের তালিকায় নবম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। করোনার কারণে বিশ্ব অর্থিনীতিতে যখন ধস নেমেছে, তখন বাংলাদেশ অনেকটাই শক্ত অবস্থানে আছে বলে মনে করছে বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিষয়ক সাময়িকী দি ইকোনমিস্ট।

বিশ্বের ৬৬টি উদীয়মান শক্তিশালী অর্থনীতির দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে তারা। সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। এ তালিকায় প্রতিবেশী ভারতের ঠাঁই হয়েছে ১৮তম অবস্থানে আর পাকিস্তানের অবস্থান ৪৩তম। ভারতের ঠিক আগের অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

গতকাল শনিবার প্রকাশ করা এ প্রতিবেদন অনুযায়ী অর্থনীতির চারটি দিক বিবেচনায় নিয়ে ৬৬টি দেশের র‌্যাংকিং করা হয়েছে। এগুলো হলো জনগণের ঋণ হিসেবে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) হার, বৈদেশিক ঋণ, তহবিল ব্যয় ও রিজার্ভের আকার।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার মধ্যেই ভারত, চীন কিংবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মতো দেশের চেয়ে তুলনামূলকভাবে নিরাপদে রয়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।

কোভিড-১৯ সঙ্কটের মধ্যেও শক্তিশালী অর্থনীতিতে থাকা ১০ দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বতসোয়ানা। তালিকায় এরপরেই রয়েছে তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, পেরু, রাশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, সৌদি আরব, বাংলাদেশ ও চীন।

তালিকায় সবার শেষে থাকা বা বর্তমানে অর্থনীতিতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা শীর্ষ ১০ দেশ হলো: ভেনেজুয়েলা, লেবানন, জাম্বিয়া, বাহরাইন, অ্যাঙ্গোলা, শ্রীলঙ্কা, তিউনিশিয়া, মঙ্গোলিয়া, ওমান এবং আর্জেন্টিনা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৬টি উদীয়মান অর্থনীতিকে এ বছর তাদের বিদেশি ঋণ পরিশোধ ও যেকোনো চলতি হিসাবের ঘাটতি মেটাতে চার ট্রিলিয়ন ডলার জোগাতে হবে। চীনকে বাদ দিলে এই হিসাব দাঁড়াবে ২ দশমিক ৯ ট্রিলিয়নে। আলোচ্য ৬৬টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আট ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। চীনকে বাদ দিলে তা দাঁড়ায় পাঁচ ট্রিলিয়ন।

ইকোনমিস্ট বলছে, বাংলাদেশসহ তালিকার শুরুর দিকের ৩০টি দেশের বিদেশি ঋণ পরিশোধ এবং যেকোনো চলতি হিসাবের ঘাটতি পূরণ করার মতো পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।