নতুন মৃত্যুপুরী ভারত-ব্রাজিল?

নতুন মৃত্যুপুরী ভারত-ব্রাজিল?

ইতালি, স্পেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলোতে অনেকটাই দুর্বল হয়ে এসেছে করোনা। এই দেশগুলোতে এ সপ্তাহের মৃত্যুর হার দেখে তেমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। ইতালি ও স্পেনে মৃত্যু দিনে মৃত্যু দুইশো’র নীচে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রেও মৃত্যু কমে ১৩’শ এর কোটায় এসেছে। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সেও মৃত্যু তিনশো’র আশে পাশে রয়েছে। এই দেশগুলোতে যখন স্বস্তি মিলছে, ঠিক তখনই শঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে ব্রাজিল আর ভারতকে নিয়ে।

ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশটিতে মারা গেছে ১৭৫ জন। আর ব্রাজিলে গত ২৪ ঘন্টায় মারা গেছে ৩১৮ জন। সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে, এই দুটি দেশের বিরুদ্ধেই মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে দেখানোর অভিযোগ উঠছে।

অর্থাৎ যে সংখ্যাটি দেখানো হচ্ছে, প্রকৃত মৃত্যু তার চেয়ে অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই দুটি দেশই হয়ে উঠতে পারে করোনার নতুন কেন্দ্র।প্রসঙ্গত যে, বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্ত হয়েছে ৩৬ লাখের বেশি মানুষ।

করোনার তথ্য উপাত্ত প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডো মিটারের তহ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৯৬ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ লাখ ৪৫ হাজার ৫৩৯ জন। আর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬৯ হাজার ৯২১ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছে ১২ লাখ ১২ হাজার ৮৩৫ জন।

আক্রান্ত ও মৃতের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ইউরোপের দেশগুলো। সেখানে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৩৮ জন। আর মারা গেছে ২৯ হাজার ৭৯ জন।

এর পরের অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য। সেখানে এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার ৫৮৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৭৩৪ জন। স্পেনে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৫ হাজার ৪২৮ জন ও আক্রান্ত ২ লাখ ৪৮ হাজার ৩০১ জন। ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৫ হাজার ২০১ জনের। আর আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৪৬২ জন। রাশিয়ায় আক্রান্ত ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৭ জন। মারা গেছে এক হাজার ২৮০জন।