লকডাউনে বাড়ি ফিরতে অ’ভিনব মৃ’ত্যু নাটক !

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে ভারতে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেও যে করেই হোক বাড়ি ফিরতে এবং স্বজনদের পাশে থাকতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন এক ব্যক্তি। এজন্য ‘মৃ’ত্যুর পথ’ বেছে নেন তিনি।

আঁ’তকে ওঠার কারণ নেই, পুরো প্রতিবেদন পড়লে বিষয়টি খোলাসা হবে। কারণ, জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার বাসিন্দা হাকাম দিন গত সপ্তাহে আহত অবস্থায় সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সারা ভারতে লকডাউন চালু হয়।

চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার জন্য এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেন হাকাম দিন। আরো তিন জনের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে বের করেন ভুয়া ডেথ সার্টিফিকেট। নিরাপদে অ্যাম্বুলেন্সে বাড়ি ফেরার জন্য ওই উপায় বের করেন তারা।

সবই পরিকল্পনা অনুসারে চলছিল। কিন্তু মাঝপথে বাধ সাধে পুলিশের একটি দল। মাঝ রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স আটকে খোঁজ খবর করতে গিয়ে সামনে আসে সত্য বিষয়। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় চার অভিযুক্তকে। তাদের আপাতত পাঠানো হয়েছে কোয়ারেন্টিনে।

অসুস্থ না হলে মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই

করোনাভাইরাসে রোগে আ’ক্রান্ত না হলে অথবা এই ভাইরাসে আ’ক্রান্ত কোনো রোগীর সেবা বা পরিচর্যা না করলে মাস্ক না পরার সুপারিশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জাতিসংঘের এই অঙ্গসংগঠনটির এক সিনিয়র কর্মকর্তা সোমবার (৩০ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

সংস্থাটির জরুরি স্বাস্থ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডা. মাইক রায়ান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গণহারে মাস্ক পরার কারণে সম্ভাব্য কোনো সুবিধা রয়েছে বলে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। প্রকৃতপক্ষে, মাস্কটি সঠিকভাবে পরা বা সঠিকভাবে ফিট করার অপব্যবহারের কারণে বিপরীতে কিছু হওয়ারই প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মাস্ক ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে মাইক রায়ান আরও বলেন, এছাড়া আরও একটি বিষয় হলো, বৈশ্বিকভাবে এসব সরঞ্জামের ব্যাপক এক সংকট দেখা দিয়েছে। যেসব স্বাস্থ্যকর্মী সামনে থেকে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার কাজটি করছেন, বর্তমানে তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। কেননা তারা প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে ভাইরাসটির সংস্পর্শে আসছেন। তাদের মাস্ক না থাকার বিষয়টি ভয়াবহ।