বাংলাদেশের জন্য করোনার মধ্যে সুখবর

করোনার মধ্যে সুখবর, এশিয়ায় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের কারণে চলতি অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

প্রবৃদ্ধি কমলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে সরকার চলতি অর্থবছরে ৮ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছিল।শুক্রবার (৩ এপ্রিল) এডিবির থেকে প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক ২০২০ এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, নিয়ন্ত্রিত গ্রাহক, বিনিয়োগের আস্থা, আমদানি, রপ্তানি ও আর্থিক সংস্থান পুনরুদ্ধার, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক সম্প্রসারণ নীতি, অনুকূল আবহাওয়ার কয়েকটি অনুমানের ওপরে ভর করেই ৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এডিবির তথ্য মতে, ২০২০ সালে এশিয়ার গড় প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ২ শতাংশ কমে যেতে পারে। যেখানে গত বছর গড়ে ৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো পারফরম্যান্স অব্যাহত রেখেছে। তবে কোভিড-১৯ বিশ্বব্যাপী মহামারির কারণে নিম্নমুখী ঝুঁকি রয়েছে। এডিবির প্রাথমিক অনুমানে ইঙ্গিত দেয়, এ মহামারির প্রভাবে বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় শূন্য দশমিক ২ থেকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমতে পারে।

বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে এ প্রভাব আরো নেতিবাচক হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর প্রভাব মোকাবিলা করতে এডিবি বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। অভ্যন্তরীণ প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে খাবারসহ অন্য পণ্যের দাম বাড়বে। মাঝারি বাণিজ্য ঘাটতি ও স্বাস্থ্যকর রেমিট্যান্সের কারণে চলতি অ্যাকাউন্টের ঘাটতি কমবে।রাজস্ব আদায়ের স্বল্পতা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে অব্যাহত রয়েছে বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে।