কাজে না আসলে কোন গার্মেন্টস শ্রমিকের চাকরি যাবে না

গার্মেন্টস এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধের আগে এবং পরে যে সমস্ত শ্রমিক বাড়িতে চলে গেছেন তাদের চাকরি যাবে না। শনিবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচার ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক এসব কথা জানান তিনি।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানের কাজ আছে তারা খুলবে। যে সমস্ত শ্রমিকরা গ্রামে চলে গেছেন তারা তো গার্মেন্টস বন্ধ দেওয়ার আগে চলে গেছেন। তারা তো আর গতকাল যান নাই। তারা কেন দেশে গেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে তো গণপরিবহন বন্ধ করা হয়েছিল। ‘সরকারের পক্ষ থেকে ২৫ মার্চ গণপরিবহন বন্ধ করা হয়েছিল, আর আমরা গার্মেন্টস বন্ধ করেছিলাম ২৬ মার্চ। তারা চলে গেছেন সে দায়িত্ব তো আমরা নেব না।’

গার্মেন্টস মালিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ থাকে তাহলে সব ধরনের প্রটেকশন দিয়ে শিল্প কারখানা খোলা রাখার জন্য। এক্ষেত্রে সব দায়-দায়িত্ব ওই প্রতিষ্ঠানকে নিতে হবে। এ পর্যন্ত কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেয়নি। তাই শ্রমিকরা চাকরি বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে ঢাকার পথে রওনা হচ্ছেন। এরই প্রেক্ষিতে বিজিএমইএ সভাপতি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কারখানাগুলোর কাজ না থাকলে সর্বোচ্চ লে অফ (অর্ধেক বেতন পাবেন, অন্যান্য সুবিধা সবই থাকবে) হতে পারে। সেটাও কাজ নেই বলে। শ্রমিকের চাকরি যাওয়ার ভয় কেন থাকবে। আমরা সমস্ত সংস্থার সাথে কথা বলছি এবং শ্রমিকদের বোঝাচ্ছি।প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই দেখা যায়, গার্মেন্টস ও কলকারখানার পক্ষ থেকে নতুন করে বন্ধের কোনো নির্দেশনা না দেওয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রমিকরা চাকরি বাঁচাতে ট্রাকে, ভ্যানে, অটোতে, সিএনজিতে এমনকি হেঁটেও ঢাকার পথে রওনা হয়েছেন।