১০ রুশ সুন্দরীকে বাংলাদেশে ঢুকতে সহায়তা করেন সেই সরকারি কর্মকর্তা!

গ্রেফতার হওয়ার আগে যুবলীগ নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে দেশ ছাড়ার পরামর্শদানকারী সরকারের সেই শীর্ষ কর্মকর্তার ব্যাপারে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।জানা গেছে, পাপিয়া তার সহায়তাকারীদের মনোরঞ্জনের জন্য ১০ রুশ তরুণীকে ঢাকায় আনেন। কিন্তু শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের আটকে দেয়।

পরে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ওই কর্মকর্তা রুশ সুন্দরীদের বাংলাদেশে ঢুকতে পাপিয়াকে সহায়তা করেন।তবে তদন্তের স্বার্থে ওই কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেনি র‌্যাবের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।র‌্যাবের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, পাপিয়া ফেব্রুয়ারির প্রথমদিকে রাশিয়ান ১০ সুন্দরী মডেলকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানান। মূলত পাপিয়া তার সহায়তাকারীদের মনোরঞ্জনের জন্য রুশ ওই তরুণীদের ঢাকায় আনেন। তবে এতে বাদ সাধেন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশে আগমনের সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে না পারায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দিতে রাজি হয়নি। পরে শীর্ষ ওই কর্মকর্তা ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে ফোন করে রুশ তরুণীদের প্রবেশে বাধা না দেয়ার জন্য বলেন। পরে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়।কিন্তু ততক্ষণে বিমানবন্দরে কর্তব্যরত সব সংস্থা বিষয়টি জেনে যাওয়ায় এবং ওই কর্মকর্তাকে নিয়ে কানাঘুষা শুরু হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানিয়েছে, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে এ তথ্য পৌঁছে গেলে ওই কর্মকর্তা অসুস্থতার দোহাই দিয়ে পরবর্তী কয়েকদিন অফিসে যাননি।
এসব ব্যাপারে জানতে চাইলে র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, ‘পাপিয়ার বিদেশ থেকে মডেল আনার খবর আমরাও শুনেছি। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত আমরা কিছুই জানি না। আমরা এই মামলার তদন্তভার চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছি। তদন্তের দায়িত্ব পেলে আমরা সব ব্যাপারেই বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব।’