দশম শ্রেণির ছা’ত্রীকে গ’ণধ’র্ষণ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দশম শ্রেণির এক স্কুল ছা’ত্রীকে গ’ণধ’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পারিবারিকভাবে মিমাং’সায় ব্যর্থ হলে ওই ছা’ত্রীর বাবা থানায় ৪ জনের বি’রুদ্ধে সোমবার (১৫ মার্চ) বিকালে ভূঞাপুর থানায় ধ’র্ষণের মালমা দা’য়ের করেন। অভিযো’গের পর রাতে অ’ভিযান চা’লিয়ে দুই ধ’র্ষককে গ্রে’ফতার করে থানা পুলিশ।

গ্রে’ফতারকৃতরা হলেন- উপজে’লার নিকরাইল ইউনিয়নের পলশিয়া গ্রামের আব্দুল হামেদের ছেলে ও দশম শ্রেণির ছা’ত্র রানা বাবু (১৬), আব্দুল খালেকের ছেলে ও ট্রাক চালক জাকারিয়া (২০)। এদের কে সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল আ’দালতে পাঠিয়ে থানা পুলিশ।

মা’মলায় অ’ভিযুক্ত আরোও দুইজন প’লাতক রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। প’লাতকরা হলেন, উপজে’লার নিকরাইল ইউনিয়নের একই গ্রামের আব্দুল হালিমের ছে’লে জীবন (২৩) ও বাদশা মিয়ার ছে’লে সুজন (২০)। মা’মলা বিবরণ সূত্রে জানা গেছে, রানা বাবু ওই ছা’ত্রীর ক্লাস’মেট হওয়ায় স্কুলে আসা যাওয়ার সময় বিভিন্ন সময়ে উত্য’ক্ত ও মোবাইল ফোনে প্রে’মের প্র’স্তাব দিয়ে আসছিল।

রানার প্রস্তা’বে রা’জি না হলে গত রবিবার (০৯ মার্চ) রাতে ফোন করে বা’হিরে আসতে বলে। বাহির না হলে রানা বাবু তার অপর ৩ বন্ধু মিলে ওই ছা’ত্রীর বাড়ির পা’শে ও’ত পেতে থাকে। প্র’কৃতির ডাকে ছা’ত্রী ঘর থেকে বের হলে ওড়’না দিয়ে মু’খ চে’পে ধরে বাড়ির ঝোঁপঝা’ড়ে নিয়ে পা’লাক্রমে ধ’র্ষণ করে পা’লিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ই’নচার্জ মো. রাশিদুল ইসলাম বলেন, ওই ছা’ত্রী ৪ জনের বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণের অভিযোগ এনে থানায় মা’মলা দা’য়ের করে। পরে অ’ভিযান চা’লিয়ে দুইজনকে গ্রে’ফতার করে টাঙ্গাইল আ’দালতে প্রেরণ করা হয়। প’লাতক রয়েছে আরো ২ জন। এদেরকেও গ্রে’ফতার অ’ভিযান চলছে। এ দিকে, ধ’র্ষণের শি’কার হওয়া মে’য়েটিকে ডাক্তারি পরী’ক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Published
Categorized as Others