দলবল নিয়ে উচ্ছেদ বন্ধে বুড়িগঙ্গা তীরে সাংসদ আসলামুল

বিআইডব্লিউটিএ’র বুড়িগঙ্গার দুই তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে দলবল নিয়ে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হকের বিরুদ্ধে।রাজধানীর বুড়িগঙ্গা নদীর দুই তীরে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ কর্তৃপক্ষ-বিআইডব্লিউটিএ।

আজ বুধবার (৪ঠা ফেব্রুয়ারি) কেরানীগঞ্জের চরওয়াশপুরে নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালাতে গেলে ঢাকা-১৪ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আসলামুল হক সেখানে দলবল নিয়ে হাজির হন। দ্বিতীয় দিনের এই উচ্ছেদ অভিযান সকাল ১০টার দিকে শুরু হলেও বেলা সোয়া ১১টার দিকে আসলামুল হক ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের নির্দেশ দেন।

এ সময়, সংসদ সদস্য আসলামুল হক বলেন যৌথ জরিপের কথা বলে যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে তাকে সেই কাগজ না দেখালে কাজ বন্ধ থাকবে। এক্ক পর্যায়ে উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন আসলামুল হক। যৌথ জরিপ না দেখানো পর্যন্ত উচ্ছেদকৃত জমির মালিকানা দাবি করেন আসলামুল হক।

অন্যদিকে, বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা দাবি করেন যৌথ জরিপ অনুযায়ী অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সীমানা নির্ধারণের কাজ করছেন তারা।
বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম পরিচালক (ঢাকা বন্দর) এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, সংসদ সদস্য আসলামুল হককে যে জায়গা ব্যবহার করার জন্য তারা অনাপত্তি দিয়েছে সেই জায়গাতে তারা উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছেন না। সংসদ সদস্য নদীর যে জায়গা ভরাট করেছেন, সেখানে বিআইডব্লিউটিএর উচ্ছেদ অভিযান চলছে।

এর আগে, গেল মঙ্গলবার ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হকের মালিকানাধীন মাইশা পাওয়ার প্ল্যান্টের দখলকৃত জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ কর্তৃপক্ষ- বিআইডব্লিউটিএ। সেদিন অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩ একর জায়গা উদ্ধার করা হয়। যদিও বিআইডব্লিউটিএ দাবি করছে আসলামুল হকের দখলে আছে ৫ একর জায়গা।