ছা’ত্রীকে অজ্ঞা’ন করে ধ’র্ষন কর’ল শি’ক্ষক

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রভাত চন্দ্র (২৫) নামের এক প্রাইভেট শি’ক্ষক কর্তৃক ধর্ষ’নের শি’কার হয়েছে এক ছা’ত্রী (১৬)।বর্তমানে ওই ছা’ত্রী ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।গত রোববার সকালে জে’লার হরিপুর উপজে’লার বকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনে এ ঘটনা ঘটে। রোববার রাতেই ধ’র্ষনের শি’কার ওই ছা’ত্রীর বাবা শিক্ষক প্রভাত চন্দ্র (২৫) ও তার সহযোগী লিটন দাস (৩০) এর নাম উল্লেখ করে হরিপুর থানায় একটি মা’মলা দা’য়ের করেন।

শিক্ষক প্রভাত চন্দ্র হরিপুর উপজে’লার সকল ভিটা গ্রামের ভেটকু শিং এর ছেলে এবং সহযোগী লিটন দাস একই উপজে’লার বজরুক গ্রামের উদ্র মোহনের ছেলে বলে তথ্য পাওয়া যায়। জানাযায়, ধ’র্ষনের শি’কার ওই ছা’ত্রী হরিপুরের ধীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার ২০২০ এর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। গত রোববার তার প্রাইভেট শিক্ষক প্রভাত চন্দ্র তাকে পুরনো বই স্কুলে ফেরত দেবার জন্য ফোনে যেতে বলে।

বই জমা দিয়ে ফেরার পথে বকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনের সামনে শিক্ষক প্রভাত চন্দ্র ও তার সহযোগী লিটন দাস তাকে পরী’ক্ষার বি’ষয়ে জিজ্ঞেস করে এবং ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ভবনে তার বান্ধবি আছে বলে সেখানে নিয়ে যায়। সেখানে নেবার পরে তারা তাকে নাকে রুমাল দিয়ে চে’তনানা’শক ব্যাবহার করে অ’জ্ঞান করে এবং পা’লাক্রমে ধ’র্ষন করে।

এসময় ওই ছা’ত্রীর র’ক্ত ক্ষরণ হলে তারা তাকে হরিপুর হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং দূর্ঘটনা হয়েছে বলে চা’লিয়ে দেয়। র’ক্ত ক্ষ’রণ বেশি হলে ছা’ত্রীর পরিবারের লোকেরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার জ্ঞা’ন ফিরে এলে পরিবারের নিকট সব ঘটনা খুলে বলে সে। রাতেই দুই জনের নাম উল্লেখ করে ও অ’জ্ঞাতনামা কয়েকজন কে আ’সামি করে হরিপুর থানায় মা’মলা দা’য়ের করে তার বাবা।

হরিপুর থানার অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) আমিরুজ্জামান জানান,আসামীদের ধরার জন্য আমরা অ’ভিযান অব্যাহত রেখেছি। তারা প’লাতক রয়েছে তবে খুব দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় নিতে পারবো বলেআশা করছি।