করো’না থেকে বাঁচুন, ‘গোমূ’ত্র লিটার ৪০০’

গোমূ’ত্র পান এবং গো’বর সেব’ন করলে প্রা’ণঘা’তী ক’রোনাভা’ইরাসেে সং’ক্র’মণ থেকে বাঁচা যাবে; এমন তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর লঙ্কাকাণ্ড বাধিয়েছেন ভার’তীয়রা। ক’রোনাভা’ইরাসেের প্রতিষেধক হিসেবে গোমূ’ত্র এবং গো’বরের চাহিদা বাড়ায় এর দাম বাড়ছে দেশটিতে।

এই মুহূর্তে গোমূ’ত্র এবং গো’বরের বাজার সবচেয়ে বেশি চা’ঙ্গা হয়ে উঠেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। দেশটির সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতার রাস্তায় টেবিল পেতে এখন গো’বর এবং গোমূ’ত্র বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি লিটার গোমূ’ত্রের দাম ৪০০ টাকা; গোব’রের কেজি ৫০০ টাকা। আগে যা ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হতো। অনেক সময় তা এক দেড়শ টাকাতেও পাওয়া যেতো।

তবে ষাঁ’ড়ের মূত্রের দাম কিছুটা কম। ষাঁ’ড়ের মূত্র প্রতি লিটার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অনেকে দোকানগুলোতে গোমূ’ত্র এবং গো’বর কেনার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন। করোনা আ’তঙ্কের মাঝে অনেকেই নতুন করে এই ব্যবসা শুরু করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ডিসকাউন্টও দিচ্ছেন।

নিউজ এইটিন বলছে, গোমূ’ত্র পান করলেই করোনা ভাইরাস সং’ক্র’মণ ঘটাতে পারবে না; ভারতে এমন তথ্য ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশজুড়ে করো’না আ’তঙ্ক চ’রম আকার ধারণ করায় গোমূ’ত্রের বাজার রমরমা হয়ে উঠেছে। হুগলির ডানকুনিতে দিল্লি রোডের ও’পর একটি দোকানের সামনে টেবিল পেতে বসে পড়েছেন শেখ মাবুদ আলি।

ক্রেতাদের ডেকে ডেকে তিনি বলছেন, ‘খেয়ে দেখু’ন একবার। করো’না ছুঁতেও পারবে না…!’ কলকাতার বিভিন্ন জে’লার বাজারের দোকান ছাড়াও অলিগলিতে মিলছে গোমূ’ত্র এবং গো’বরের দোকান। ক্রেতারাও রীতিমতো ভিড় জমাচ্ছেন এসব দোকানে।

করোনা ভাইরাসের সং’ক্র’মণ বাড়তে থাকায় কয়েকদিন আগে দেশটির রাজনৈতিক দল হিন্দু মহাসভা দিল্লিতে ‘গোমূ’ত্র পার্টি’র আয়োজন করে। হিন্দু মহাসভার এই পা’র্টিতে অনেক মানুষ অংশ নেন। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রা’ণঘা’তী এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক লাখ ৬৯ হাজার ৯১৫ জন এবং প্রা’ণ হা’রিয়েছেন ৬ হাজার ৫২১ জন।

সর্বাধিক ৩ হাজার ২১৩ জনের প্রা’ণহা’নি ঘটেছে চীনে। সুস্থ হয়েছেন ৭৭ হাজার ৭৭৬ জন। ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় আ’ক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ১২৯ জন। তাদের মধ্যে দু’জনের প্রা’ণহা’নি ঘটেছে এবং সুস্থ হয়ে উঠেছেন আরও কমপক্ষে ১৩ জন।