করোনায় ভেজা কিশমিশ

করোনাভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। সম্পতি একে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃতের সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কোনো ভ্যাকসিন এখনও আবিস্কার হয়নি। তাই প্রতিরোধই এখন একমাত্র পথ।

করোনাভাইরাস নিয়ে খুব বেশি আতঙ্কিত হওয়ায় মতো কিছু নেই। এরোগে মৃত্যুহার শতকার ২ থেকে ৩ ভাগের মতো। শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকলে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা অকনেকাংশে কমে যায় বা আক্রান্ত হলেও মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে না। কিছু খাবার রয়েছে, যা খেলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করা যায়।

এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে কিসমিস। কিশমিশ শুকনো খাওয়ার বদলে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি। রোজ খালিপেটে ভেজা কিশমিশ খেলেই শরীর দূষণমুক্ত থাকবে। এজন্য কিশমিশ সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন ভোরে সেটা খান। ভেজানো কিশমিশে থাকে আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবার। তাছাড়া এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি শরীরের কোনও ক্ষতি করে না।

কিশমিশ আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়াতে চান তবে ভেজা কিশমিশ এবং তার জল নিয়মিত খান। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরকে ভাইরাসমুক্ত রাখতে কিশমিশ খান নিয়মিত। সকালে খালি পেটে ভেজানো কিশমিশ খেলে শরীর বিষমুক্ত হবে।

পাশাপাশি এটি শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। একই ভাবে কিশমিশ ভেজানো পানিও শরীরের পক্ষে উপকারি। এই পানি রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। রোজ কিশমিশের পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি থেকে মুক্ত থাকা যায়। এছাড়া, কিশমিশ হার্ট ভালো রাখে। নিয়ন্ত্রণে রাখে হাই ব্লাডপ্রেসার ও কোলেস্টেরল। কিশমিশে প্রচুর ভিটামিন এবং খনিজ আছে।

এর সঙ্গে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাঁধাকপি, পেঁয়াজকলি, টমেটো, পেঁয়াজ, আদা এবং রসুন একসঙ্গে সিদ্ধ করে খেতে পারেন। হলুদ, গোলমরিচ দুধ ও ঘিয়ের মিশ্রনও খুব উপকারি। এছাড়া, খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন আদা, কাঁচা রসুন, সবুজ সবজি, দই, গ্রিন টি, কুমড়োর দানা ও পেয়ারা, জামসহ বিভিন্ন ফল। সূত্র : মেডিক্যাল নিউজ টুডে।