‘এসিল্যান্ডকে তিনবার স্যার কন, তারপর কথা শুনব’

ঢাকার দোহার উপজে’লার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফজলে এয়ার আলীর বি’রুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ করেছেন ভু’ক্তভোগী এক পরিবার। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজে’লার পালামগঞ্জ এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি পরিবার জমি খারিজের বি’ষয়ে কথা বলতে অফিস সহকারী এয়ার আলীর কাছে যায়। এ সময় তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে বলেন, ‘আপনার মেয়েকে কেন নিয়ে এসেছেন। এখন না, এ বি’ষয়ে বিকেলে কথা শুনব।’

ভু’ক্তভোগীর মেয়ে দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘আমি অফিস সহকারী ফজলে এয়ার আলীকে শুধু বলেছিলাম এসিল্যান্ড সাহেব আমাদের কাগজে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। এই কথা শুনে তিনি ক্ষি’প্ত হয়ে বলেন, “আগে এসিল্যান্ডকে তিনবার স্যার কন! তারপর আপনার কথা শুনব”।’

ভু’ক্তভোগীর ওই ব্যক্তির মেয়ে আরও জানান, এয়ার আলী পরিচয় জানতে চাইলে তার কর্মস্থল ‘সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা’র পরিচয় দিলে তিনি আরও ক্ষি’প্ত হয়ে যান। এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনার পত্রিকার সম্পাদক এসিল্যান্ডকে ৩০ বার স্যার বলেন। আপনাকেও স্যার বলতে হবে। না হয় আমি আপনার কোনো কথা শুনতে রাজি নই।’সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র অফিসে না থাকায় এ বি’ষয়ে লিখিত অভিযোগ জানাতে পারেনি বলে জানান ভু’ক্তভোগী পরিবার।

এদিকে এমন ঘটনা প্রত্যক্ষ দেখে সেবা নিতে আশা অন্যান্য ব্যক্তিরা ক্ষো’ভ প্রকাশ করেন। সুমন হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘যেখানে উপজে’লা সহকারী কমিশনার আমাদের সব কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করেন, সেখানে তার অনুপস্থিতিতে কার্যালয়ের একজন অফিস সহকারীর এমন অসদাচরণ কাম্য নয়।’নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কার্যালয়ের অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এয়ার আলীর এমন ব্যবহার আমরা মাঝে-মাঝেই দেখে থাকি। যা মোটেও ঠিক না।’

এসব অভিযোগের বি’ষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয় দোহারের ভূমি অফিস সহকারী ফজলে এয়ার আলীর সঙ্গে। এ সময় ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে কল কে’টে দেন।এ বি’ষয়ে দোহার উপজে’লা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র দৈনিক আমাদের সময়কে জানান, ‘বি’ষয়টি আমি জানি না। তবে কেউ যদি এরকম আচরণ করে থাকে, তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’