এমপি আসলামের কবল থেকে ৫ একর জমি উদ্ধার

বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদের সংযোগস্থল চরওয়াশপুরে ঢাকা-১৪ আসনের সং’সদ সদস্য আসলামুল হকের অ’বৈধ স্থাপনা গুঁ’ড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এ সময় আসলামুল হকের প্রতিষ্ঠান মাইশা গ্রুপের এক কর্মকর্তাকেও গ্রে’ফতার করা হয়।

আসলামুল হকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মাইশা গ্রুপ চরওয়াশপুরে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর পাঁচ একর জমি অ’বৈধভাবে দ’খল করে মাইশা পাওয়ার প্লান্ট তৈরি করেন। ওই প্লান্টের অ’বৈধ অংশটি গতকাল উ’চ্ছেদ করে বিআইডব্লিউটিএ জমিটি এমপির প্রতিষ্ঠানের দ’খল থেকে উ’দ্ধার করে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল ঢাকার চারপাশের নদ-নদী দ’খল ও দূষণমুক্ত করার অংশ হিসেবে গতকাল ১৮তম দিনের মতো বছিলা এলাকায় উ’চ্ছেদ অ’ভিযান চা’লায় বিআইডব্লিউটিএ।

উ’চ্ছেদকারী বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঢাকা-১৪ আসনের সং’সদ সদস্য আসলামুল হকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নদীর পাঁচ একর জায়গা অ’বৈধ দ’খল করে এক হাজার ফুট লম্বা এবং ৩০০ ফিট প্রশস্ত জায়গা পাওয়ার প্লান্ট প্রকল্পের ভিতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এই অ’বৈধ স্থাপনা সরাতে নিয়মিত উ’চ্ছেদ অ’ভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল তারা ওই স্থাপনা উ’চ্ছেদ করতে যান। এ সময় উ’চ্ছেদ কাজে বা’ধা দিতে আসেন স্বয়ং এমপি আসলামসহ তার সহযোগীরা।

বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আসলাম ও তার সহযোগীদের বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে অ’বৈধ স্থাপনা উ’চ্ছেদ করে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা এমপি আসলামের উপস্থিতিতেই মাইশা গ্রুপের কো-অর্ডিনেটরকে গ্রে’ফতার করেন। অ’ভিযান পরিচালনাকালে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, আ’দালতের আদেশ মেনে বৈষম্যহীনভাবে নদীর জায়গা ফিরিয়ে নিতে কাজ করা হচ্ছে। মাইশা পাওয়ার প্লান্ট জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের মতো স্থাপনা।

তাই এখানে অ’ভিযান পরিচালনার আগে আমরা যাবতীয় কাগজপত্র, নকশা পর্যালোচনা করে দেখেছি। তিনি জানান, মুজিববর্ষে ঢাকার চারপাশের নদীকে দ’খলমুক্ত করতে নিয়মিত এ অ’ভিযান অব্যাহত থাকবে। অবশ্য সং’সদ সদস্য আসলামুল হক দাবি করেছেন, অ’বৈধভাবে তার পাওয়ার প্লান্ট ভাঙা হয়েছে। এদিকে গতকালের অ’ভিযানে আরও তিনটি একতলা ভবন, ১০টি পাকা দেয়াল ও ১০টি অন্যান্য স্থাপনা উ’চ্ছেদ করা হয়। অবমুক্ত করা হয় দ’খল হয়ে যাওয়া তিন একর তীরভূমি।