মধ্যরাতে কার সঙ্গে ফখরুলের বৈঠক?

বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে যদিও বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলছে যে, তারা বেগম জিয়ার জন্য করুণা ভিক্ষা করবেন না। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হলো তার একটি হক, ন্যায্য অধিকার। এই জামিনের জন্য তারা রাজপথে আন্দোলন এবং আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনার ঘোষণাও দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য দ্বিতীয়দফা আদালতের শরনাপন্ন হয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আগামী রোববার এই জামিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে বিএনপির নেতৃবৃন্দই দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিভিন্ন তৎপরতায় রহস্যের গন্ধ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির মধ্যে বেশ কানাঘুষাও চলছে।

বিএনপির একাধিক সূত্র মনে করছেন যে, পর্দার অন্তরালে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদার মুক্তির জন্য সরকারের কাছে দেন-দরবার করছেন। এ কারণে প্রায়ই মধ্যরাতে তিনি দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছেন। গতকাল মধ্যরাতে ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় কার্যালয় থেকে হঠাৎ করেই গায়েব হয়ে যান। তাকে প্রায় একঘণ্টা খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর তিনি দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ শুরু করেন এবং শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণের বিষয়ে শীর্ষনেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।

দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য তার কাছে জানতে চান যে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন। এর জবাবে অবশ্য তিনি কোনো উত্তর দেননি।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একক উদ্যোগে সরকারের নীতি-নির্ধারক কয়েকজনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন। একটি সুনির্দিষ্ট ফর্মূলা নিয়ে তিনি সরকারের বিভিন্ন মহলের সঙ্গে কথা বলছেন। এই ফর্মূলাটি হলো বেগম খালেদা জিয়া হাইকোর্টে জামিনের যেই আবেদন করেছেন, এই জামিনের আবেদনে চিকিৎসার কারণে তার জামিন দেওয়া হবে এবং এক্ষেত্রে সরকার বাধা দেবে না।

Published
Categorized as Others