দুঃসংবাদ -দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের জন্য দুঃসংবাদ। সমগ্র দুনিয়া থেকে বয়কট করা হচ্ছে এই রাষ্ট্রকে। আর তাতেই মাথায় হাত পড়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের। এশিয়া ইন্টারনেট কোয়ালিশনের পক্ষ থেকে ইমরান-সরকারকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।জানা গেছে, নেট দুনিয়া থেকে বরখাস্ত হয়ে যাবে এই দেশ। খবর বিজনেস টুডের।

ফেসবুক, টুইটার ও গুগুলের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে পরিষেবা বন্ধ করার হু’মকি দেওয়া হয়েছে।মূলত, নেট দুনিয়ার নিয়মভঙ্গের অপরাধেই এই শাস্তি পেতে চলেছে পাকিস্তান। দেশের প্রায় ৭ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নেট দুনিয়ার অ’পব্যবহার করায় পরিষেবা চালু রাখতে অসুবিধা হচ্ছে বলে জানাচ্ছে শিয়া ইন্টারনেট কোয়ালিশন (এসিআই)।

সোশ্যাল মিডিয়াসহ গুগুলের বক্তব্য, দেশের সেন্সরশিপ নিয়ম বানানোর সময় কোনও এক্সপার্টের পরামর্শ নেয়নি পাকিস্তান। পাক-সেন্সরশিপ আইনে আ’পত্তিজনক বিষয়বস্তুর উপর কোনও নি’ষেধাজ্ঞার কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়নি। এই বিষয়ে সংস্থার পক্ষ থেকে ইমরান খানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।এখন দেখার বিষয়, পাকিস্তান কি আদৌ এই বিষয়ে ক’র্ণপাত করে কিনা।

আরও পড়ুন:বেড়ে গেল চাল ও চিনির দাম, দেখে নিন বাজারদর:বাজারগুলোতে আবারও বেড়েছে চাল ও চিনির দাম। সাধারণ মানুষের খাবার বিভিন্ন জাতের মোটা চাল সপ্তাহ খানেক আগেও ৩২ টাকায় বিক্রি হয়েছে, এখন তা ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) দেড় থেকে দু’শো টাকা।

অন্যদিকে, বাজারে প্রতি কেজি চিনি দুই থেকে তিন টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হয়। রাজধানীর কাওরানবাজার, নয়াবাজার ও সেগুন বাগিচা কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে ও বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে। চালের বাজারের এ অস্থিরতা রোধে বাজার নিয়ন্ত্রণে মিল মালিকদের ওপর নজরদারিতে গুরুত্ব আরোপ করেছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে, নিত্যপ্রয়োজনীয় এই খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, প্রতি বছর এসময় বিশেষ করে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে ধানের সরবরাহ কম থাকে।তাই সব ধরনের চালের দাম বেড়ে যায়।

আবার এপ্রিলে যখন নতুন ধান আসে তখন আগের দামে ফিরে আসে। তবে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় পেছনে কোনো কারণ থাকলে সেটা মিল মালিকরাই বলতে পারবেন বলে জানান ব্যবসায়ীরা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত মাস থেকে বাড়তি দরে সব ধরনের চাল বিক্রি হচ্ছে।

আমন মৌসুমের চাল বাজারে আসতে শুরু করলেও কমার কোনো লক্ষণ নেই। খুচরা বাজারে মিনিকেট চাল কিনতে হচ্ছে প্রতি কেজি সর্বনিম্ন ৫৫ টাকায়। আর সর্বোচ্চ উঠেছে ৬০ টাকা পর্যন্ত। গত মাসে কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৫২ টাকায় পাওয়া যেতো এ চাল। এছাড়া আরেক পদের সরু চাল নাজিরশাইলের দাম ৬২ থেকে ৬৫ টাকায় উঠেছে। বৃহস্পতিবার বাজারগুলোতে মোটা চালের মধ্যে প্রতি কেজি স্বর্ণ চাল বিক্রি হয়েছে ৩৫-৪০ টাকা। নাজিরশাইল ও মিনিকেট ৫৫-৬০ টাকা এবং প্রতি কেজি পাইজাম চাল বিক্রি হয় ৪৫-৫০ টাকায়।

অপরদিকে বাজারে এক কেজি চিনি ৬৫-৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৬২-৬৫ টাকা। টিসিবির হিসাবে, প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। এর আগে বিক্রি হয়েছে ৬০-৬৫ টাকা। নয়াবাজারের খুচরা বিক্রেতা মো. আলাউদ্দিন বলেন, বাজারে চিনির সরবরাহ কমে গেছে। মিলগেটে চিনির দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যে কারণে পাইকারি পর্যায়ে বেড়েছে; যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।