ইরানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিলো রাশিয়া!

সাংহাই সহযোগিতা পরিষদে ইরানকে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ার ব্যাপারে রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ভারত সফররত ল্যাভরভ নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ওই সংবাদ সম্মেলনে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান বর্তমানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার পর্যবেক্ষক সদস্য। এই সংস্থায় ইরান স্থায়ী সদস্যপদ লাভের যে আবেদন জানিয়েছে তার প্রতি রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

চলতি বছর সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে রাশিয়া। আর আগামী জুলাইয়ে মস্কোয় এই সংস্থার শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত সহযোগিতা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ২০০১ সালে চীনের সাংহাই নগরীতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা গঠন করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

শুরুতে এই সংস্থার সদস্য দেশগুলো ছিল- কাজাখস্তান, চীন, কিরঘিজিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। পরবর্তীকালে ভারত ও পাকিস্তানকে এই সংস্থার স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়া হয়। বর্তমানে ইরান ছাড়া আরও তিনটি দেশ এই সংস্থার পর্যবেক্ষক সদস্যের দায়িত্ব পালন করছে। দেশগুলো হলো- আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া ও বেলারুশ।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা বাইতুল্লায়, এক সাথে অবস্থান নিতে পারবে ২৫০০ মানুষ!বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা নির্মাণ হচ্ছে মক্কার বাইতুল্লাহ শরিফে। প্রতিটি ছাতার উচ্চতা ৩০ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমানভাবে ৫৩ মিটার। ছাতাগুলো এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা হিসেবে পরিচিতি পেতে যাচ্ছে। প্রতিটি ছাতার নীচে কম করে হলেও হাজার মানুষ দাঁড়াতে পারবে।

সূত্রমতে জানাযায়, ২০১৪-সালের ডিসেম্বর মাসে মক্কা-মদিনা হারামের খাদেম ও সৌদি আরব সরকারের প্রধান প্রয়াত মালিক আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ আল সাউদ প্রচণ্ড তাপমাত্রার কথা চিন্তা করে পবিত্র হজ্জ ও ওমরাহতে আসা আল্লাহর মেহেমান হাজী ও নিয়মিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে এ বৃহত্তর ভাঁ’জ করা ছাতা নির্মাণ করার ঘোষণা দেন।

জেনারেল প্রেসিডেন্সি টু হলিমস্ক কোম্পানি নামে ঠিকাদার সৌদি সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ ভাঁজ করা ছাতা নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করবে। ইতিমধ্যে জাপান থেকে এসে কাজ শুরু করেছে প্রায় ২৫-জন ইঞ্জিনিয়ার সহ প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ান ও সেপটি এক্সপার্ট।

প্রতিটি ছাতা ৪৫-মিটার উঁচু ও প্রায় ১৬-টন ওজন হবে। প্রতি-টা ছাতা ২৪-স্কয়ার মিটার স্থান জুড়ে ছায়া দিতে সক্ষম হবে। হারাম শরীফের উপরে ৮-টি হাই টেকনোলোজি সাইজের ছাতা বসানো হবে। হারামের উত্তর পাশে ৫৪-টি ছাতা বসানো হবে। সবকটি ছাতা মিলে প্রায় ১৯-হাজার ২০০-শত স্কয়ার মিটার স্থান জুড়ে ছায়া দিবে। কাবা শরীফের ছাদও মডেল ছাতার ছায়া তলে থাকবে।

নির্মিত ভাঁজ করা প্রতিটি ছাতা বড় বড় ঘড়ি ও এইচডি স্ক্রিনে তৈরি হবে। ছাতায় হাজীদের জন্য দিকনির্দেশনা লেখা থাকবে। ছাতা গুলো এসি সংযুক্ত গরমে ঠাণ্ডা দিবে। হাজীগণ ও প্রার্থনা কারীরা বিশ্রাম নিতে পারার মত ছাতার নিছে থাকবে ২২-টি বেন্স ও হাই সিকিউরিটি ব্যবস্থা।

ছাতা গুলো সম্পূর্ণ হলে হারামের উত্তর পার্শ্বে ৪-লাখ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে। মদিনা মসজিদ নববীতে আগে থেকে ছাতা রয়েছে প্রতিটি ছাতা খোলার সময় এক মিনিট ব্যবধান থাকে যাতে করে একটি ছাতা আরেকটি ছাতার সাথে ধাক্কা না লাগে।

খোলার সময় মনে হয় একটি ফুল ফুটছে বাগানে। এ ভাঁজ করা ছাতা নির্মিত হলে মক্কা বায়তুল্লাহ (কাবা ঘর) ঘিরে মসজিদুল আল হারামের দৃশ্য হবে অন্যরকম সুন্দর। দৃষ্টিনন্দন। সূত্র: ইসলাম ইন্ক